খালেদের ফাইফারের পর ব্যাটারদের ব্যর্থতায় হারের শঙ্কা

প্রথম ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন বাংলাদেশের পেসার খালেদ আহমেদ। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীরা ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ৩৬ ওভারে ১৩২ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছে। এখনও ৪২ রানে পিছিয়ে রয়েছে তারা। এতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয়টির তৃতীয় দিন শেষে হারের শঙ্কায় রয়েছে বাংলাদেশ।


২৬ জুন, রবিবার সেন্ট লুসিয়ায় কেমার রোচ ও আলজারি জোসেফদের তোপে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম (৪) ও মাহমুদুল হাসান জয়কে (১৩) ফেরান রোচ। এরপর এই টেস্টে ফেরা এনামুল (৪) হককেও আউট করেন রোচ। ব্যক্তিগত ১৯ রানে থাকা লিটন দাসকে এলবি করেন জেডন সিলস।


এরপর ৯১ বলে ৪২ রান করে বিপদ কিছুটা সামাল দেওয়া নাজমুল হোসেন শান্তকে ফেরান জোসেফ। এই বোলারের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও (১৬)। দিন শেষে নুরুল হাসান সোহান (১৬) ও মেহেদী হাসান মিরাজ (০) অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন।


এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪০৮ রানে থেমে ১৭৪ রানের লিড পায়। আগের দিনই সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া কাইল মেয়ার্স ২০৮ বলে ১৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৪৬ রান করেন। তাকে খালেদ আহমেদ শরীফুল ইসলামের ক্যাচে ফেরান। এই ডানহাতি পেসার জোসেফকে আউট করে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেটের দেখা পান। ৩১.৩ ওভারে ১০৬ রানে ৫ উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা।


যেখানে দিনের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামা ক্যারিবীয়দের দুটি উইকেট তুলে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও খালেদ আহমেদ।


আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটার জসুয়া ডি সিলভাকে ২৯ রানে এলবি করে ফেরান মিরাজ। পরে আলজারি জোসেফকে ব্যক্তিগত ৬ রানে লিটন দাসের ক্যাচে মাঠ ছাড়া করান পেসার খালেদ।


বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে খালেদ ৫টি, মিরাজ ৩টি ও শরীফুল ২টি উইকেট পান।


এর আগে দ্বিতীয় দিন নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৪০ রানে শেষ করে উইন্ডিজ। মেয়ার্স ১২৬ ও ডি সিলভা ২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রানে অলআউট হয়।