আমগাছে বেঁধে শিশু নির্যাতনের অন্যতম হোতা মিরু গ্রেপ্তার

Child Torture, Miru, arrest,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় মোবাইল চুরির অপবাদে আমগাছের সাথে বেঁধে দুই শিশু নির্যাতনের অন্যতম হোতা মীর আক্কাস আলী মিরুকে (৪৫) পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১২ আগস্ট) ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মাঝদিয়া বড়পাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে মিরুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঘটনার দিন বুধবার (৯ আগস্ট) রাতেই কুমারখালী থানা পুলিশ এ ঘটনার অপর দুই হোতা তানজিল ও তার শাশুড়ি রোকেয়া খাতুনকে গ্রেপ্তার করে। এ নিয়ে আলোচিত এ ঘটনার এজাহারভুক্ত তিন আসামীকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

এদিকে, দুই শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদীকে মামলা তুলে নিতে এলাকার প্রভারশালীরা হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদী ও গোপনে নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করা স্থানীয় যুবক আশরাফুলসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীকে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

মামলার বাদী ও স্থানীয়দের হুমকি দেয়ার ঘটনায় কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল খালেক ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তিনি জানান, শিশু নির্যাতনের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। যে কারণে বিষয়টি অত্যাধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া এজাহারভুক্ত তিন আসামীর রিমান্ড চাওয়া হবে।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান জানান, নির্যাতিত শিশু ও তার পরিবারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম সহায়তা দেয়া হবে। ইতোমধ্যেই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাক আহমেদ ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের ডিডি রোকসানা পারভিন নির্যাতিত শিশু জুয়েলকে দেখতে তার বাড়িতে গেছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেছেন।

এদিকে, নির্যাতনের শিকার শিশু জুয়েল বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছে।

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে ২ শিশুকে নির্মম নির্যাতন!

ad