গণপরিবহন শূন্য সড়কে রিক্সা-সিএনজির ভাড়া দ্বিগুণ

Jagoran- Public transportation, vacant, road,
ad

জাগরণ ডেস্ক: পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় গণপরিবহন শূন্য ঢাকায় জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। রিক্সা ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সার ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় রাজধানীবাসীর বিড়ম্বনা বেড়েছে।

শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত মিরপুর রোড, রোকেয়া সরণি, সাতমসজিদ রোড, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, মানিক মিয়া এভিনিউ, প্রগতি সরণি, এলিফ্যান্ট রোডে কোনো গণপরিবহন দেখা যায়নি। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরশেনের (বিআরটিসি) কয়েকটি বাস চললেও সেগুলোতে উঠতে হচ্ছে অনেক কষ্ট করে।

উত্তরা থেকে বনানী, রামপুরা ও মিরপুর রুটে কোনো বাস চলছে না। ওই সব গন্তব্য থেকে উত্তরার দিকেও কোনো বাস চলাচল করছে না। কুড়িল, আব্দুল্লাহপুরের দিকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি; ওইসব এলাকা থেকে কোনো বাস আসেনি।

অফিসগামী ও বিভিন্ন গন্তব্যগামী শত শত মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন বা হাঁটছেন। রাইড শেয়ারিং যান, রিকশা বা অটোরিকশা, বিআরটিসির বাসে বা যেভাবেই হোক, গন্তব্যে যাওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করছেন তারা।

রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে এ চিত্র দেখা গেছে। বাস-ট্রাক মালিক সমিতির পক্ষ থেকেও এ তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে যানবাহন ভাঙচুর ও শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ‘নিরাপত্তাহীনতা’র কারণে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন মালিক-শ্রমিকরা।

বাসমালিক-শ্রমিকেরা বলছেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঢাকামুখী গাড়ি চালাতেও পথে বাধা পাচ্ছেন তাঁরা।

শুক্রবার (৩ আগস্ট) নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এমপি বলেন, শুক্রবার যে পরিস্থিতি ছিল, সেই পরিস্থিতি শনিবার থাকলে সকাল থেকেই বাস চলবে। যদিও তার কথার সঙ্গে আজকের বাস্তব চিত্রের কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

গত ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর সড়কে নামে শিক্ষার্থীরা। এরপর গত বৃহস্পতিবার সরকার আন্দোলনকারীদের দাবি মানার ঘোষণা দিয়ে তাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানানোর পর অঘোষিত ধর্মঘট শুরু করে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।

ad