গোয়েন্দা কার্যালয়ে আপন জুয়েলার্সের মালিক ও তিন ভাই

Dildar
ad

জাগরণ ডেস্ক: আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ ও তার তিন ভাই তলব করায় শুল্ক গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যালয়ে হাজির হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ মে) বেলা সাড়ে ১১টার পর তারা কাকরাইলে অবস্থিত শুল্ক গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যান।

এর আগে গত (১৪ মে) আপন জুয়েলার্সে অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন’শ কেজি সোনা ও হীরার গহনা আটক করেছেন শুল্ক গোয়েন্দারা। অভিযান শেষে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দীপা রানী হালদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পাঁচটি শাখার চারটি থেকে মোট ২৮৬ কেজি স্বর্ণালঙ্কার এবং ৬১ গ্রাম হীরা আটক করা হয়েছে। এর সর্বমোট মূল্য ৮৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

পরদিন ১৫ মে গুলশান ২ নম্বরের সুবাস্তু ইমাম টাওয়ারে অবস্থিত আপন জুয়েলার্সের শোরুমে আবারো অভিযান চালিয়ে ২১১ কেজি সোনা ও ৩৬৮ গ্রাম হীরা সাময়িক আটক করে শুল্ক গোয়েন্দারা।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আপন জুয়েলার্সের অন্যতম মালিক দিলদার আহমেদসহ সব মালিককে তলব করে শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তর। গত ১৭ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা সেখানে হাজিরা দিয়েছিলেন।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের যুগ্ম-পরিচালক জানান, বনানীতে সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ ও তার ছেলে শাফাত আহমেদের কালো টাকার তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশের পর শুল্ক গোয়েন্দার পক্ষ থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এরমধ্যে শুল্ক গোয়েন্দা বাংলাদেশ ব্যাংককে তাদের আর্থিক লেনদেনের যাবতীয় তথ্যাদি তলব করেছে। আজকের অভিযানে সোনা ও হীরার বৈধ উৎস ও পরিশোধেযোগ্য শুল্ক-কর সম্পর্কে খোঁজ নেয়া হয়।

গত পাঁচ বছরে দেশে কোন বৈধ বাণিজ্যিক আমদানি না থাকায় প্রাথমিকভাবে শুল্ক গোয়েন্দার কাছে তাদের সোনা ও হীরার ব্যবসায় ‘অস্বচ্ছতা’ প্রতীয়মান হয়েছে।

ad