ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ad

জাগরণ ডেস্ক: বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (১১ মে) বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছানোর পর পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। এ সময় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠনটির সম্মেলন উপলক্ষে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সম্মেলন স্থলে আসতে শুরু করেছে নেতা-কর্মীরা। স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তুলছে সম্মেলন স্থল ও আশপাশের এলাকা। নিরাপত্তার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নির্ধারিত প্রবেশ পথ দিয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে।

আজ শুক্রবার ও আগামীকাল শনিবার দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে। এবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য ৩২১ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

শীর্ষ দুটি পদে সর্বশেষ সম্মেলনে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হলেও এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিলেকশনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে। দীর্ঘদিনের অদৃশ্য সিন্ডিকেট ভাঙতে আওয়ামী লীগ প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

দলের প্রতি আনুগত্যশীল, কর্মীবান্ধব, সৎ, যোগ্য ও মেধাবীদের হাতে ছাত্রলীগের পরবর্তী নেতৃত্ব তুলে দিতে কাজ করছে আওয়ামী লীগ। এ লক্ষ্যে পদ প্রত্যাশীদের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডও দেখা হচ্ছে। আমলে নেয়া হবে গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানও।

এর আগে গত মাসের শেষের দিকে ছাত্রলীগের সুপার ইউনিট খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন হয়েছে। তবে এসব ইউনিটের এখন পর্যন্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়নি।

ছাত্রলীগের বেশ কয়েকটি সূত্রে জানাগেছে, কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পর এক সঙ্গে কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগরের কমিটি ঘোষণা করা হবে।

পদ পেতে চান এমন প্রায় ডজনখানেক নেতার সঙ্গে আলাপ করে তাদের মনের কথা জানাগেছে। তারা বলছেন, শেখ হাসিনার পছন্দে নেতা হওয়া গৌরবের বিষয়। নেত্রীর পছন্দে যারাই নেতা হয়ে আসবেন, তাদের ব্যাপারে কারও কোনও আপত্তি থাকবে না।

ad