ছয় পুলিশের লুকিয়ে রাখা ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

160 kg, marijuana recovery,
ad

জাগরণ ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে উদ্ধার করা মাদকের তথ্য গোপন করা ও তা লুকিয়ে রাখার যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেই ২০০ কেজি গাঁজার মধ্যে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন সাংবাদিকদের এই গাঁজা উদ্ধারের তথ্য জানান।

এর আগে মঙ্গলবার (৬ মার্চ) রাতে কসবা থানার একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হলেও উদ্ধারের তিনদিন পর এই তথ্য জানানো হলো।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন জানান, এ ঘটনায় রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) চার সদস্যও জড়িত। তারা হচ্ছেন- কনস্টেবল মহিউদ্দিন, ইব্রাহিম, তাজুল ইসলাম ও আবদুল আজিজ। এদের চারজনকেও প্রত্যাহার করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আরআরএফ পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। জানাগেছে, গায়েব করা এসব গাঁজা তারা পরে বিক্রি করতো।

তিনি জানান, দায়িত্বে থাকা যেকোনো থানার কোনো পুলিশ সদস্য কোনো অন্যায় করলে ছাড় দেয়া হবে না।

উল্লেখ্য, কসবা থানার ছয় পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা মাদকের তথ্য গোপন করার অভিযোগে আগেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গাঁজা আত্মসাতের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর থেকেই পলাতক এই ছয় পুলিশ সদস্য।

বরখাস্ত হওয়া ছয় পুলিশ সদস্যরা হলো- কসবা থানার উপ-পরিদর্শক শ্যামল মজুমদার ও মনির হোসেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক ফারুক ও সালাউদ্দিন, কনস্টেবল শাহজাহান ও কাসেম।

উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার সকালে কসবা উপজেলা টিআলী মোড় থেকে মাদকসহ দুইটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়। এতে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ছিল।

তারা বিপুল গাঁজা উদ্ধার এবং ওই দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। কিন্তু পরে এএসআই সালাউদ্দিন ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার দেখিয়ে একটি মামলা করেন। মাদক চালান উদ্ধার হওয়ার পর ওই ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

পরে সরকারি দায়িত্বে অবহেলাসহ প্রশাসনিক কারণে এ ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন পুরো বিষয়টির তদন্ত করছেন।

ad