জনগণের কল্যাণে ওয়াদার বাইরেও কাজ করেছি: প্রধানমন্ত্রী

People, welfare, prime minister,
ad

জাগরণ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যা ওয়াদা দিয়েছিলাম তার বাইরে যেসব কাজ করলে জনগণের কল্যাণ হয় সেগুলোও আমরা করেছি। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখন ওই মংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মংলা বন্দর চালু করে দিয়েছে।

শনিবার (৩ মার্চ) বিকালে খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কেউ গৃহহীন থাকবে না। কেউ কুঁড়েঘরেও থাকবে না। নিদেন পক্ষে আমরা একটি টিনের ঘর হলেও করে দেব। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প করে দিয়েছি। এর মধ্যদিয়ে নিজের ব্যবসা নিজে করার সুযোগ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, আপনাদের এখন বই কিনতে হয় না, আমি বইয়ের দায়িত্ব নিয়েছি। জানুয়ারির ১ তারিখ বই উৎসব হয়। বই কিনতে বাবা-মাকে একটা টাকাও খরচ করতে হয় না। স্বাস্থ্যসেবা দিতে খুলনায় বিশেষায়িত হাসপাতাল করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, গ্রাম পর্যায় থেকে উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য রেখেই সব উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একটা সরকার জনগণের সেবা করবে। আমরা জনগণের সেবক। সে কথা মাথায় রেখেই আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি। এত উন্নয়ন প্রকল্প আর কোনো সরকার করতে পারে নাই। যেটা আমরা করে যাচ্ছি.. আওয়ামী লীগ সরকার করে যাচ্ছে। যার শুভ ফলও এদেশের মানুষ পাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, খুলনার উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। আজকে ১০০টি প্রকল্পের মধ্যে ৪৮টি উদ্বোধন ও ৫২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছি। আমরা যা ওয়াদা দিয়েছিলাম তার বাইরে যে সমস্ত কাজ করলে জনগণের কল্যাণ হয় সেগুলোও করেছি। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। ভোলায় অনেক গ্যাস পাওয়া গেছে। সে গ্যাস পাইপলাইনে করে বরিশাল ও খুলনা যেন আসে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমরা বিজয়ী জাতি, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। সে ধারাতেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ কঠোর হাতে জঙ্গিবাদ দমন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির সময় খুলনা নগরী ছিল সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্য। প্রতিদিন মানুষ খুন হতো, মায়ের কোল খালি হতো। আমরা কঠোর হস্তে জঙ্গি দমন করেছি। খুলনা এখন শান্তির নগরী। খুলনায় সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে সে জন্য সবার সহযোগিতা চাইছি।

এর আগে দুপুর ২টা ৫২ মিনিটে সার্কিট হাউজ ময়দানের জনসভার পূর্বে মঞ্চের পাশে তৈরি করা একটি বোর্ডে সুইচ টিপে তিনি এর উদ্বোধন করেন। ৩টা ৩২ মিনিটে তিনি জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ শুরু করেন।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৬৭৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার ৪৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ১ হাজার ৩৩৬ কোটি ৪ লাখ টাকার ৫২টি নতুন প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। উদ্বোধন হওয়া ৪৭টি প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

ad