জাতীয় ঈদগাহে শুধু নেয়া যাবে জায়নামাজ-ছাতা

National Eidgah, Jainamaj, umbrella,
ad

জাগরণ ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে আগত মুসল্লিরা এবার জাতীয় ঈদগাহে জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু সঙ্গে আনতে পারবেন না। সেইসঙ্গে মুসল্লিদের ও জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের জামাতে নামাজ আদায় করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

তিনি জানান, ঈদুল ফিতরের জামাতকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড, বোমা নিস্ক্রিয়কারী দল, সোয়াত, সাদা পোশাকের পুলিশ থাকবে। ঈদগাহে প্রবেশের সময় কয়েকটি পয়েন্টে মুসল্লিদের তল্লাশি করা হবে। কেউ কোনো ধরনের ব্যাগ, ছুরি-কাঁচি, মোবাইল, দাহ্য পদার্থ নিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করতে পারবেন না। জামাতে নারীরা হাতব্যাগও আনতে পারবেন না।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ঈদগাহে পুলিশের যেসব সদস্য আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন তারা একই জামাতে নামাজ আদায় করবেন না। আপনাদের জন্য বেলা ১১টায় আলাদা ঈদ জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে জঙ্গি হামলার বড় কোনো হুমকি নেই। কারণ জামিনে বের হওয়া জঙ্গিদের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। ২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে জঙ্গি হামলা হচ্ছে- সেসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই দেশে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঈদে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছাড়বেন। ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় অফিস, শপিংমলগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে। প্রত্যেক এলাকার চেকপোস্টগুলোতে তল্লাশি বাড়ানো হবে এবং এলাকাভিত্তিক সিকিউরিটি গার্ডদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হবে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। নামাজে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন মিরপুর জামেয়া আরাবিয়ার মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান।

রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রী, কুটনীতিক, এমপিসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ এই জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করবেন।

ad