জাবিতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষার্থী আটক

jabi arrest
ad

জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শাহেদ ইসলাম ওরফে আল আমিন নামের এক ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলের সামনে এ ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হলেও রিপিটার হয়ে সে এখন ৪৩তম ব্যাচের ছাত্র এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র।

প্রসাশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্রকে মারধর করা হচ্ছে এমন খবরে প্রক্টরিয়াল বডি সেখানে উপস্থিত হয়ে আল আমিনকে গণধোলাইয়ের হাত থেকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আল আমিন জানায়, ওই ছাত্রীর সাথে তার পরিচয় হয় ফেসবুকে। পরিচয়ের তৃতীয় দিন সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলের সামনের মাঠে (বৃন্দাবন) তাদের দেখা হয়।

এ সময় আল আমিন ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাব দেয়ার পরপরই শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইলে ছাত্রীটি তাকে বাধা দেয়। এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেয়েটি আল আমিনকে ফোনকল করে পুনরায় তার সাথে দেখা করতে চায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় দেখা করতে এলে ওই ছাত্রীর সঙ্গে থাকা বিভাগের সহপাঠী এবং সিনিয়র শিক্ষার্থীরা তাকে মারধর করে।

আল আমিনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার পর প্রক্টর সিকদার মো জুলকারনাইন সাংবাদিকদের বলেন, আল আমিন একজন বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ। যেহেতু ঘটনাটি যৌন নিপীড়নের পর্যায়ে পড়ে সেহেতু এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী যে সেল রয়েছে তারাই দেখবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা বিধি ভঙ্গের কারণে প্রক্টরিয়াল টিম তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে।  মানহানির ভয়ে এখন পর্যন্ত ওই ছাত্রী কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। তবুও এ ঘটনায় তাকে সবরকম সহায়তা করার জন্য আমরা তৈরি আছি।

উল্লেখ্য,অভিযুক্ত আল আমিন ৪৬ ব্যাচে জাবিতে ভর্তির জন্য অপেক্ষমান তালিকায় থাকা এক ছাত্রীকে ভিসি কোটায় ভর্তি করানোর প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। ভর্তি জালিয়াতির এই ঘটনায় এ বছরের ১৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আল আমিনকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

ad