দুই বাসের রেষারেষিতে নাজিম নিহতের ঘটনায় মামলা

Two buses, racers, Dhaka Tribune, officers, killed,
ad

জাগরণ ডেস্ক: রাজধানীর হানিফ ফ্লাইওভারে দুই বাসের রেষারেষিতে ঢাকা ট্রিবিউন পত্রিকার বিজ্ঞাপন বিভাগের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মো. নাজিম উদ্দীন (৩২) নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ মে) সন্ধ্যার দিকে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেছেন নাজিম উদ্দিনের ভায়রা আবদুল আলিম।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মেয়র হানিফ উড়াল সেতুর ওপর শ্রাবণ সুপার ও মঞ্জিল নামের দুটি বাসের রেষারেষির মধ্যে শ্রাবণ বাসের বাসের চাপায় তিনি নিহত হন।

নাজিম ঢাকা ট্রিবিউনের বিজ্ঞাপন বিভাগের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ছিলেন। নাজিমের বাসা যাত্রাবাড়ীর শ্যামপুর এলাকায়। তিনি তিনদিন আগেই সন্তানের বাবা হয়েছেন। তার স্ত্রী এখনও অসুস্থ।

মামলার অন্যতম আসামী মঞ্জিল পরিবহনের চালকের নাম এখনো জানা যায়নি বলে দাবি করেছে পুলিশ। চালককে এখনো তারা গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর রহমান বলেন, মঞ্জিলের চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার শ্রাবণ সুপার পরিবহনের চালক ওহিদুল ও মঞ্জিল পরিবহনের চালকের সহকারী কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে গুলিস্তান যাচ্ছিলেন নাজিম উদ্দিন। মেয়র হানিফ উড়ালসড়কে উঠতেই তিনি পড়ে গেলেন দুই বাসের প্রতিযোগিতার মুখে। এ সময় শ্রাবণ সুপার পরিবহনের বাসটি নাজিমের মোটরসাইকেলটিকে পেছন দিক থেকে ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়ে যান। নিমেষে বাসটি চলে যায় তার বুকের ওপর দিয়ে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাইম জানান, নাজিমকে শ্রাবণ সুপার পরিবহনের বাসটি চাপা দেয়ার পর তিনি (নাইম) মোটরসাইকেল চালিয়ে গুলিস্তানের সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সে যান। সেখানে দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোলায়মানকে ঘটনা জানান।

তিনি জানান, এরপরই শ্রাবণ সুপার পরিবহনের চালক ওহিদুলকে আটক করেন এসআই সোলায়মান। পরে অপর বাস মঞ্জিল পরিবহনের চালকের সহকারী কামালকে আটক করা হয়। ঘটনার পর তিনি মোটরসাইকেল থেকে নেমে সিএনজিচালিত অটোরিক্সায় করে নাজিমকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। পথে তাঁর প্রাণ ছিল। কিন্তু ঢাকা মেডিকেলে আনার পর তিনি মারা যান।

ad