রাগিব রাবেয়া মেডিকেলের ২ শিক্ষার্থী জীবিত

Ragib Rabeya Medical, 2 students, living
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনায় সিলেটের রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাপ্ত তালিকা ও ইউএস-বাংলার প্রকাশিত জীবিত যাত্রীদের তালিকা থেকে সেই বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১২ মার্চ) রাতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ এর জানানো জীবিত ১৯ জন যাত্রীর মধ্যে প্রিন্সি ধামী ও সামিনা বেনজারখার নামের দুইজন শিক্ষার্থীর নাম দেখা গেছে।

প্রিন্সি ও সামিনা ছাড়াও জীবিত উদ্ধার হওয়া অন্য যাত্রীরা হলেন- ইমরানা কবির হাঁসি, কবির হোসেন, মেহেদী হাসান, রিজওয়ানা আব্দুল্লাহ সাঈদা, কামরুন নাহার স্বর্ণা, শাহরিন আহমেদ, মো. শাহীন বেপারি, মো. রিজওয়ানুল হক, কিশোর ত্রিপাটি, হরিপ্রসাদ সুবেদী, দয়ারাম তামরাকার, কিষাণ পান্ডে, আশিস রঞ্জিত, বিনোদ পৌদাল, সনম সখ্য, দিনেশ হুমাগাইন ও বসন্ত বহরা।

উল্লেখ্য, বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের ১৩ জন রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তারা ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে ছুটিতে নিজেদের দেশে যাচ্ছিলেন।

তারা হলেন- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্ণিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, শামিরা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিঞ্চি ধনি

নেপাল সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৫০ জনের নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে নেপালের পুলিশের মুখপাত্র মনোজ নুপেন প্রাথমিকভাবে ৪০ জনের প্রাণহানির তথ্য জানিয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে ৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে নেয়ার পর আরও নয়জন মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর ২টা ২০ মিনেটে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলার বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

ad