পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যই চলছে কামরান-আরিফের প্রচারণা

Complaint, Kamran-Arif, campaign,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: আসন্ন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাশাপাশি একে অন্যের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে কিনা, সেদিকেও বেশ লক্ষ্য করে চলেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধান দুটি দলের প্রার্থীরা একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন নির্বাচন অফিসে।

শুক্রবার (১৩ জুলাই) বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে আবারও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।

আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার বরাবরে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘনের প্রমাণ নিয়ে কামরানের পক্ষে এই অভিযোগ প্রদান করে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক দিবাকর ধর রাম।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার প্রচারণা ১০ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী একজন মেয়র প্রার্থী তার মাইকিং করার জন্য শুধুমাত্র একটি চোঙ্গার মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু বিএনপির প্রার্থী একটি মাইকের পরিবর্তে তার নির্বাচনী প্রচারণার কাজে নিয়োজিত সিএনজিতে দুটি মাইক ব্যবহার করেছেন।

অপরদিকে, কামরানের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে করেছেন আরিফ। শুক্রবার দুপুরে এই অভিযোগ দেন আরিফ। আরিফের পক্ষে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে এই অভিযোগ দেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সিলেটের বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিশাল আকারের একটি গেট নির্মাণ করেছেন, যা আচরণবিধির পরিপন্থী।

এছাড়া, একই প্রার্থীর সমর্থকরা গত বুধবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে নগরীর হাসান মার্কেট এলাকায় ধানের শীষের পোস্টার সাঁটাতে বাধা দেয়। পোস্টার ছেড়া ও ধানের শীষের কর্মীকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এসব আচরণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে বলে আশঙ্কা করা হয়।

সিসিক নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা প্রলয় কুমার সাহা জানান, মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় বিস্তারিত জানানো সম্ভব হচ্ছে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ad