বসুন্ধরা ও তার আশেপাশের এলাকায় ‘ব্লক রেইড’

Jagoran- bashundhara
ad

জাগরণ ডেস্ক: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাসহ আশপাশে ‘ব্লক রেইড’ চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ভাটারা থানা পুলিশ।

বুধবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টায় এ অভিযান শুরু হয়ে শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টার দিকে। হঠাৎ বিপুলসংখ্যক পুলিশ দেখে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। যদিও কাউকে আটক কিংবা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

অভিযানের আগেই ঘটনাস্থলে আনা হয় পুলিশের বিশেষ সাঁজোয়া যান, কমান্ডিং কারসহ অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদি। এর আগে সন্ধ্যা থেকেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন প্রবেশ পথ দিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য ভেতরে প্রবেশ করে। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে তারা অবস্থান নিয়ে তল্লাশি করে।

ডিএমপির অপরাধ বিভাগ, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও রিজার্ভ পুলিশের প্রায় দুই হাজার সদস্য কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় জড়ো হয়।

এ সময় ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামন মিয়া, অতিরিক্ত-কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায়, অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আবদুল বাতেন, যুগ্ম কমিশনার শেখ নাজমুল আলম, গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মুস্তাক আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে দেখা যায়। তারা পুলিশ সদস্যদের ব্রিফ করেন। পরে পুলিশ সদস্যরা ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে অভিযান শুরু করেন।

পুলিশ জানায়, এ এলাকায় তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানা ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এ এলাকায় মেস ভাড়া করে থাকেন। তাদের মধ্যে ছদ্মবেশে কিছু দুর্বৃত্ত দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করছে বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে।

বিভিন্ন ইস্যুতে তারা রাজপথে নেমে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের ওপর হামলা করে। সর্বশেষ সোমবার নিরাপদ সড়কের দাবিতে নামা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই সব দুর্বৃত্ত সড়কে নেমে ব্যাপক ভাংচুর ও পুলিশের ওপর হামলা করে। এ কারণে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয় বলে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, কাঁলাচাদপুর, বসুন্ধরা, নতুন বাজার পুরো এলাকা আমরা একটা ‘কম্বিং অপরারেশন’ করলাম। এটাকে নাম দেই আমরা ব্লক রেইড। এটা আমাদের চলমান কার্যক্রমের একটা অংশ।

ad