মোরা’র প্রভাবে নোয়াখালীতে একটানা বৃষ্টি

Mora, Noakhali, Rain
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোরা’র প্রভাবে সকাল থেকে নোয়াখালীতে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির সাথে মাঝে মধ্যে হালকা ঝড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে। তবে এখনো কোনো ধরণের ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার (৩০ মে) সকালে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নিয়ে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় মোরা। এরপর থেকে নোয়াখালীতে শুরু হয় বৃষ্টি যা এখনো একটানা চলছে।

বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রগুলো থেকে নারী ও শিশুদের বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ যেকোনো মূহুর্তে জোয়ার বা জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে। এতে দুর্ঘটনার শঙ্কাও রয়েছে।

এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঘোষণা মতে, মোরা’র প্রভাব যতক্ষণ থাকবে, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি থাকবে।

সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোরা’র প্রভাবে জেলার কোথাও কোনো ধরণের বড় দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে একটানা বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের প্রভাবে জেলার উপকূলীয় উপজেলা হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ও সূবর্ণচরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মাহবুবুল আলম তালুকদার জানান, জেলা প্রশাসন এখনো মোরা’র গতিবিধি সর্তকভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কোথাও কোনো ধরণের ক্ষয়ক্ষতির খবর পেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। জেলার তিন উপকূলীয় উপজেলার ৩১২টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৩০ হাজার নারী-পুরুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আরও হাজার হাজার মানুষ উঁচু পাকা বাড়িতে উঠেছেন। বৃষ্টি বন্ধ হলে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হবে।

জেলা রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তা সৈয়দ আফ্রিদুল ইসলাম জানান, মোরা’র প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগীতায় আমাদের ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়া জেলার কোম্পানীগঞ্জ, সূবর্ণচর, হাতিয়ার নলেরচর ও কেরিংচরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার চিড়া ও গুড় বিতরণ করা হচ্ছে।

ad