যৌতুক না পেয়ে সহযোগিদের নিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা

Rape
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলীতে চাঞ্চল্যকর আমেনা বেগম (২২) হত্যার দায় স্বীকার করেছে তার স্বামী মেহেদী হাসান। যৌতুক না পেয়ে স্বামী মেহেদী হাসান সহযোগিদের সাথে নিয়ে গণধর্ষণ শেষে তাকে হত্যা করেন।

রবিবার (৬ মে) আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক হুমায়ুন কবিরের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মেহেদী। শনিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী শহরের বালুর মাঠ এলাকা থেকে মেহেদীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, পুলিশ গত ৯ এপ্রিল একটি মুগডাল ক্ষেত থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় আমেনার লাশ উদ্ধার করে। ওই সময়ে পুলিশ ঘাতক মেহেদীর বাবা আলমগীর আকন ও মা পিয়ারা বেগমকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় আমেনার বাবা হানিফ হাওলাদার বাদী হয়ে স্বামী মেহেদী হাসান ও ইসমাইলকে আসামী করে সাতজনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী শহরের বালুর মাঠ এলাকা থেকে আমতলী থানা পুলিশ পটুয়াখালী পুলিশের সহযোগীতায় ঘাতক মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে। বরিবার পুলিশ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য তাকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে।

আদালতকে সে জানায়, যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী আমেনা বেগমকে (২২) গত ৮ এপ্রিল রাতে সে তার সহযোগিদের নিয়ে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে কলাগাছিয়া গ্রামের মুগডাল খেতে অর্ধনগ্ন অবস্থায় ফেলে রাখে।

স্থানীয়রা জানান, মেহেদী দ্বিতীয় স্ত্রী আমেনাকে হত্যার ৯ মাস পূর্বে প্রথম স্ত্রী অন্তঃসত্তা মনিরাকে পিটিয়ে হত্যা করে। ওই মামলায় মেহেদীকে বরিশাল কোতয়ালী থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও দু’দিন পর অজ্ঞাত কারণে সে ছাড়া পায়। মনিরাকে হত্যার তিন মাস পরে মেহেদী হাসান আমেনাকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। আমেনাকে বিয়ের সাত মাস পরে একইভাবে এক লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে হত্যা করে।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) পুলিশ কর্মকর্তা মো. সহিদ উল্যাহ বলেন, আসামী মেহেদী হাসান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ad