রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট

Rohingya camp, United Nations secretary general, World Bank president,
ad

জাগরণ ডেস্ক: রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে কক্সবাজারে পৌঁছেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম।

সোমবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাংলাদেশ বিমান (ইএ১৭০৮) এর একটি বিশেষ বিমানে করে তারা কক্সবাজার পৌঁছান। সেখানে অবস্থানকালে তারা দুইজন রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও উখিয়া সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন।

তাদের সঙ্গে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা ইউএনএইচসিআর’র প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি এবং জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল বিষয়ক নির্বাহী পরিচালক ড. নাতালিয়া খানেমসহ জাতিসংঘের অধীন বিভিন্ন সংস্থার প্রায় ডজন খানেক কর্মকর্তা।

সকাল ১০টার দিকে কলাতলী শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে গেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট। সেখানে তারা কুতুপালং, মধুরছড়া, লম্বাশিয়া- এই তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

পাঁচটি কেন্দ্রে রোহিঙ্গা দলগুলোর সঙ্গে কথা বলবেন। জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), ব্র্যাক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, নারী ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। এ ছাড়া লম্বাশিয়া ও মধুরছড়ায় পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ রোহিঙ্গাবসতি ঘুরে দেখবেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, তারা দুপুর ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ট্রানজিট ক্যাম্পের এক্সটেনশন-৪, নিবন্ধিত সি-ব্লক ও ডি-৫ ব্লকের বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। এসময় ইউএনএফপিএ-এর নারী কেন্দ্রে ১০-১৫ জন নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারীর সঙ্গে কথা বলবেন।

এরপর আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর ৫টি প্রাইমারি স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। পরে ডি-৫ ব্লকে নির্যাতিত ৫০ জন রোহিঙ্গা নারী ও ১০০ জন রোহিঙ্গা পুরুষের সঙ্গে আলাপ করবেন। দুপুর ২টার পরে একই ব্লকে প্রেস ব্রিফিং করার কথা রয়েছে।

বিকাল ৩টার দিকে কক্সবাজার শহরে ফিরে আসবেন। আর সাড়ে ৪টার দিকে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও এনজিও কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে করবেন। বিকাল সাড়ে ৫টা দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। আর এ নিয়ে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা রেডিসন হোটেলে প্রেস ব্রিফিং করার কথা রয়েছে।

ad