শর্ট ফিল্মে কাজের কথা বলে কিশোরীকে আটকে রেখে ধর্ষণ

Rape
ad

জাগরণ ডেস্ক: গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় এক কিশোরী অভিনয় শিল্পীকে শর্ট ফিল্মে কাজ করানোর কথা বলে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক নাট্য পরিচালকের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৮ এপ্রিল) কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ধর্ষক মিজানুর রহমান শামীম (৫৩) গাজীপুর শহরের বিলাসপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা তোরাব আলীর ছেলে বলে জানাগেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কিশোরীর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ি জেলার পাংশা থানায়। বোনের সঙ্গে ঢাকার সাভার থানার ফুলবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মডেলিং করেন। শামীম নাটক ও ফিল্ম তৈরির কাজ করেন।  গত ৮ এপ্রিল নীলেরপাড়ায় ভাড়া করা স্পটে অন্য শিল্পীদের সঙ্গে শামীমের পরিচালিত শর্ট ফিল্মে অভিনয়ের জন্য যায় ভিকটিম কিশোরী। সেখান থাকার সময় ১০ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে শামীম কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন।

এ সময় আতিক ও মামুন ঘরের বাইরে দরজায় দাঁড়িয়ে পাহারা দিয়ে ধর্ষণে সহযোগিতা করে। ধর্ষণের পর শামীম ও তার সহযোগিরা আর ঘটনা ফাঁস করলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তার শর্ট ফিল্মে কাজ করতে বাধ্য করেন।এরপর শামীম ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল ধর্ষণ করলে কৌশলে পালিয়ে যায় সে।

পরে বিষয়টি অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। তবে শামীম কোন প্রতিষ্ঠান থেকে নাটক বা ফিল্ম তৈরি করছিলেন তা বলতে চাননি ওই কিশোরী।

জয়দেবপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে কিশোরী নিজে বাদী হয়ে মিজানুর রহমান শামীম (৫৩), তার সহকারী আতিক (৩০) ও মো. মামুন (২৬) নামে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এর মধ্যে মিজানুর কিশোরীটিকে ধর্ষণ করে ও বাকি দুইজন ধর্ষণে সহযোগিতা করে।

ওসি আমিনুল বলেন, শুক্রবার রাতে মামলার পর শনিবার কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ad