সিলেটে ইমাম নিয়োগ নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

Muhammd Ali
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: সিলেটের কানাইঘাটে মসজিদের ইমাম নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।

শুক্রবার (১১ মে) পৌনে ২টার দিকে উপজেলার সদর ইউপির গোসাইনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আলী (৬০)।  সে কানাইঘাট উপজেলার সদর ইউপির গোসাইনপুর গ্রামের মৃত জোয়াদ আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গোসাইনপুর বড় মসজিদের ইমাম ও পবিত্র রমজান মাসে হাফেজ নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ গং এবং সদস্য আব্দুন নুর ও রফিকুল হক গংদের মধ্যে। শুক্রবার জুমআ’র নামাজের পর এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় দু’পক্ষের। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে পড়ে।

সংঘর্ষে উভয়পক্ষে অন্তত ১১ জন আহত হয়।  তাদের মধ্যে মোহাম্মদ আলী (৬০) গুরুতর আহত হলে স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আহতরা হলেন- আব্দুল্লাহ গংয়ের হাবিবুর রহমান, আব্দুল মালিক, আহসান উল্লাহ, সামছুল হক, আব্দুল কাদির ও প্রতিপক্ষের ফয়ছল আহমদ, আশরাফ উদ্দিন ও আফতাব উদ্দিন।

খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে মাষ্টার বশির আহমদ, মৌলভী জামাল উদ্দিন ও ইয়াহিয়া মাসুমকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ জানান, গোসাইনপুর গ্রামটি জামায়াত অধ্যুষিত হওয়ায় এখানে শিবিরের নেতা-কর্মীরা ইমাম নিয়ে প্রতি বৎসর একটি দন্দ্ব সৃষ্টি করে। এরই ধারাবারিকতায় এ বছরও তারা গ্রামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।

তবে তাদের প্রতিপক্ষ আব্দুন নুর গংরা এসব অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, দীর্ঘদিন থেকে মসজিদের ইমাম নিয়ে এলাকায় বিতর্ক রয়েছে।

কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আহাদ জানান, ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।  এখনো কোনো মামলা হয়নি।

ad