কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী, তবে...

দুইদফা দলীয় বৈঠকের পরেও উঠে এল না কংগ্রেস সভাপতির নাম। যে কারণে সোনিয়া গান্ধীকে অন্তর্বর্তী সভানেত্রী করা হয়েছে।

শনিবার পার্টীর সদর দফতরে তিনঘণ্টার বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির এই মিটিং-এ রাহুল গান্ধীর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়। তবে কমিটির তরফ থেকে তাঁকেই সভাপতি হিসেবে থাকার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়। তাঁরপরেও তিনি তাঁর ইস্তফাপত্র প্রত্যাহার করতে রাজী হননি।

প্রশ্ন উঠছে, এত আলোচনার পরও গান্ধী পরিবারের বাইরে কেন কাউকে পেল না কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী ইস্তফা দেওয়ার পর সনিয়া গান্ধীকেই ফের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ করেন ওয়ার্কিং কমিটির নেতারা। রাজ্যসভায় কংগ্রেসের দলনেতা গুলাম নবি আজাদ ঘোষণা করেন, কংগ্রেসের নতুন সভানেত্রী হচ্ছেন সনিয়া গান্ধী।

দলের সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে দুপুরে বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান সনিয়া গান্ধী। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘রাহুল এবং আমি উভয়ই পর পর দু'বার কংগ্রেসের সভাপতি ছিলাম। তাই আমাদের এই বৈঠকের অংশ হওয়া উচিত নয়। ওঁরা আমাকে ভুল করে জোনাল কমিটিতে রেখেছিল।'

১৯শের লোকসভায় দলের পরাজযের দায় রাহুল গান্ধী ২৫ শে মে কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি ও তাঁর মা সনিয়া গান্ধী, বোন প্রিয়াঙ্কা শীর্ষ পদ গ্রহণের বিষয়টিও নাকচ করে দেন। জানিয়ে দেন, কংগ্রেসের দায়িত্ব এবার নেওয়া উচিত কোনও অ-গান্ধী নেতার।

কংগ্রেসের ১৩৪ বছরের ইতিহাসে বেশিরভাগ সমযই গান্ধী পরিবারের কেউ নেতৃত্বে ছিলেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর হত্যার পরে নব্বইয়ের দশকে বেশ কয়েক বছর বাদে অবশ্য অ-কংগ্রেসী নেতারা দলের দায়িত্বে ছিলেন। সীতারাম কেশরির নেতৃত্বে দল সাফল্য পায়নি। এরপর দলের বর্ষিয়ান নেতৃত্ব সনিয়া গান্ধীকে সংগঠনের দায়িত্ব নিতে রাজি করান।

মন্তব্য লিখুন :