ব্যর্থ ভারতের চন্দ্রাভিজান, মোদিকে ধরে কাঁদলেন ইসরো প্রধান

চাঁদে নামার ঠিক আগমুহূর্তে ভারতের চন্দ্রযান-২ ‘ল্যান্ডার বিক্রম’ এর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। চন্দ্রযানটি কক্ষপথ ছেড়ে চাঁদে নামতে শুরু করার পর থেকেই গ্রাউন্ড স্টেশনের নিয়ন্ত্রণকক্ষে আর কোনো বার্তা পাঠাচ্ছে না।

রাত প্রায় ২টার দিকে চাঁদের মাটিতে নামার কথা ছিল। কিন্তু এই সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও আর তথ্য মেলেনি।

শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১টা ৫৩ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রাখার কথা ছিল চন্দ্রযান-২ এর। এর আগে রাত ১টা ৪০ মিনিটে কক্ষপথ ছেড়ে চাঁদে নামতে শুরু করে। এই অবস্থায় ‘ল্যান্ডার বিক্রম’ এর অবতরণ নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড পার হলেই রেকর্ড গড়তো ভারত। চাঁদের দক্ষিণের মাটিতে এর আগে নামেনি আর কোনো চন্দ্রযান।

ভারতের সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, ‘ল্যান্ডার বিক্রম’ চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে ২ কিলোমিটার ১০০ মিটার (১ দশমিক ৩ মাইল) দূরত্বে শেষ সঙ্কেত পাঠিয়েছে।

ইসরোর বিজ্ঞানীদের বাহাবা দিয়ে মোদী বলেছেন, আমি আপনাদের সঙ্গে রয়েছি। বিজ্ঞানের সেবার মধ্যে দিয়ে আপনারা মানবজাতির সেবা করেছেন।

ইসরোর বিজ্ঞানীদের সঙ্গে প্রায় সারা রাত জেগে গোটা ঘটনা দেখেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর শনিবার সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন তিনি। এ অভিযানের জন্য বিজ্ঞানীদের বাহবা দিলেও একসময় কথা আটকে যায় মোদির গলায়।

এ সময় ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবনও শেষমেশ নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন তিনি। পরে মোদি তাকেসহ সকল বিজ্ঞানীকে সান্তনা দেন।

মন্তব্য লিখুন :