মিয়ানমার সেনার সাথে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ, নিহত ২০

মিয়ানমারের জান্তাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের পর থেকেই দেশটিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। একপর্যায়ে তা রূপ নেয় সহিংসতায়। এ সময় সেনাবাহিনীর গুলিতে মারা যায় ২ শতাধিক মানুষ। এরপর থেকেই অআশঙ্কা করা হচ্ছিল গৃহযুদ্ধের।

সে আশঙ্কাই সত্যি হচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে উঠছে সেনাবিরোধী সংগঠন। এর জেরে মিয়ানমার সেনা সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ প্রতিরোধ বাহিনী (পিপল ডিফেন্স ফোর্স) সদস্য নিহত হয়েছে।

গত জুলাইয়ের পর সেনাবাহিনীর সঙ্গে এ পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের যতগুলো সংঘর্ষ হয়েছে- শুক্রবারে এ সংঘাত সবচেয়ে ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর আরব নিউজের।

এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার ভোরে ৪টি সামরিক গাড়িতে করে শতাধিক সেনা সদস্য মেইন থার ও আশপাশের আরও পাঁচটি গ্রামে অভিযান চালায়।

এ সময় সেনাবাহিনীর সঙ্গে পিপল ডিফেন্স ফোর্সের ব্যপক সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। এদের বেশিরভাগই তরুণ।

ঘরে তৈরি শিকারের বন্দুক ব্যবহার করে জান্তাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে চলেছে পিপল ডিফেন্স ফোর্সের সদস্যরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাইনথরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমার গ্রামের ২০ জনেরও বেশি লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।’

সংঘর্ষের পর সৈন্যরা বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

প্রতিবেশী থার লিন গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, যুদ্ধের শব্দে স্থানীয়রা পালিয়ে স্থানীয় মঠ বা জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে।