লাফিয়ে কমছে আদার দাম

রোজা সামনে রেখে হঠাৎ অস্বাভাবিক হওয়া আদার দাম কমেছেও লাফিয়ে, ঢাকার বাজারে দুই দিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি আদার দাম ১০০ টাকার উপরে কমে গেছে।

শুক্রবার ঢাকার খুচরা বাজারে চীনা ও থাইল্যান্ডের আদা বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকায়, যা গেল সপ্তাহে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে।

অস্বাভাবিক এই মূল্য বৃদ্ধি সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হওয়ার পর আদার দাম নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এসব অপরাধে বিভিন্ন জায়গায় আড়তদার, দোকানিদের জরিমানাও করা হয়েছে। তারপরে আদার দাম কমতে শুরু করেছে।

সরবরাহ ঘাটতির অজুহাত দেখিয়ে গত ১০ এপ্রিলের পর থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে আদার দাম। আমদানি মূল্য প্রতিকেজি ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকা হলেও খুচরায় আদার দাম উঠে যায় প্রতিকেজি সাড়ে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায়।

দেশের প্রধান পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে সরকারি তদারকি অভিযানে দেখা যায়, আমদানিকারকরা সরবরাহ ঘাটতির সুযোগে নিজেদের লোকের মাঝে হাতবদলের মাধ্যমে প্রায় তিনগুণ বাড়িয়েছে আদার দাম। এর প্রভাব পড়ে সারা দেশে।

মিরপুরের পীরেরবাগের আল রাজ্জাক মুদি বিতানের দোকানি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তিনি প্রতি কেজি ৩০০ টাকা দরে যে আদা কিনেছিলেন তা এখনও বিক্রি করে শেষ করতে পারেননি। মাঝখানে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি করলেও এখন আবার কেনা দামে বিক্রি করা শুরু করেছেন। এতে তার লোকসান হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একই এলাকার দোকানি ঝন্টু বলেন, লকডাউনের কারণে বেচাবিক্রি একেবারেই কমে গেছে। সে কারণে তিনি আপাতত আদা রসুন বিক্রি করছেন না। প্রতি কেজি ৪৮ টাকা দরে কেনা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৫০ টাকায়।