বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম পড়তির দিকে

টানা দুই মাস দাম বৃদ্ধির পর গেল সপ্তাহজুড়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা কমেছে। স্বর্ণের পাশাপাশি গত এক সপ্তাহে প্লাটিনামের দামেও কমেছে। তবে কিছুটা বেড়েছে রুপার দাম।

গেল সপ্তাহের আগের সপ্তাহে স্বর্ণের বাজার ব্যাপক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে পার করে। ১৯’শ ডলারের ওপরে থাকা প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বড় দরপতনের মধ্যে পড়ে ২ জুন ১ হাজার ৮৭০ ডলারে নেমে আসে। তবে ৩ জুন বড় উত্থান হওয়ায় প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৯০ দশমিক ৮৫ ডলারে উঠে সপ্তাহ শেষ হয়।

সপ্তাহ শেষে পতনের খাতায় নাম লেখায় দামি এই ধাতুটি। গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শুক্রবার প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ২১ দশমিক ১৪ ডলার বা ১ দশমিক ১১ শতাংশ। এতে সপ্তাহ শেষে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১৮৭৭ ডলার। যা আগের সপ্তাহের থেকে দশমিক ৬৯ শতাংশ কম।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোশ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। মাঝে কিছুটা দাম এপ্রিল ও মে মাসের প্রায় পুরোটা সময়জুড়ে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকে।

বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ায় মে মাসে দেশের বাজারে দু’দফায় ভরিতে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সর্বশেষ গত ২৩ মে থেকে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৭৩ হাজার ৪৮৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭০ হাজার ৩৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬১ হাজার ৫৮৪ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি গেল সপ্তাহে কমেছে আর এক দামি ধাতু প্লাটিনামের। সপ্তাহের ব্যবধানে ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমার মাধ্যমে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৪৬ দশমিক শূন্য ৪ ডলারে।

তবে রুপার দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা বেড়েছে। শেষ কার্যদিবস দশমিক ২৬ শতাংশ কমার পরও সপ্তাহের ব্যবধানে এই ধাতুটির দাম বেড়েছে দশমিক ৪০ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৮৯ ডলার।