নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ফের আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।

যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

হল বন্ধ থাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় অবস্থান করেন। দুপুর ১২টা থেকে আন্দোলনে যোগ দিতে জমায়েত হতে থাকেন তারা।

দুপুর সাড়ে ১২টায় ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা এ মিছিল বের করেন। মিছিলটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে উপাচার্যের বাসভবনের দিকে যায়।

সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করে পৌনে ২টার দিকে তারা আবার মিছিল নিয়ে এসে পুরোনো রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে তার বাসভবনে অবরুদ্ধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি অবস্থান নেন উপাচার্যপন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ছাত্রলীগসহ উপাচার্যপন্থীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এ হামলার ঘটনায় আন্দোলনকারী শিক্ষক, ছাত্রী এবং দায়িত্বরত তিন সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে নারী শিক্ষার্থীসহ ৭-৮ জন বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।

এরপর জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা এবং শিক্ষার্থীদের বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে হল ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ।