র‌্যাগিং: পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ শিক্ষার্থীকে শাস্তি

বাংলাদেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে রসিকতার ছলে র‌্যাগিংয়ের নামে যে প্রথা চলছে, তা এককথায় টর্চার সেলে নিয়ে নির্যাতনের মতো। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে ১৫ শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত সাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৃষি অনুষদের ছয়জন। তারা হলেন, রমজান শেখ, মো. সামিউল আলম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সিফাত হোসাইন, মো. খালিদ হাসান মিলু ও রনি হোসাইন। বিএএম অনুষদের  চারজন। তারা হলেন, মনিরুল ইসলাম, মো. মেহেদী হাসান, ভূঁইয়া, মো. আবু সাফওয়ান ও মুক্তাদির আহম্মদ।

এনএফএস অনুষদের দুইজন। তারা হলেন, মো. জায়াদুল হক মিয়াজী ও মো. শাহীন ও মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের তিনজন। এরা হলেন, এসকে সেফাতুল ইসলাম, মো. মোহতাসিন আরাফ ও সাকিব আহম্মেদ পার্থ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত সাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়, ছাত্রদের ওপর র‌্যাগিং দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ায় ১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এক ছাত্র শৃঙ্খলা বোর্ডের ৩৭ তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভিযুক্ত ওই ১৫ শিক্ষার্থীকে চলমান এক সেমিস্টারের জন্য সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কেন তাদেরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তা পত্রপ্রাপ্তির সাত কার্যদিবসের মধ্যে রেজিস্ট্রার বরাবরে লিখিতভাবে জানানোর জন্য বলা হয়েছে।

অন্যথায় ওইসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এক তরফাভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পত্র প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।