ঝালকাঠিতে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ কম

ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ঝালকাঠিতে থেমে থেমে ধমকা বাতাস ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। 

বিষখালিসহ অন্যান্য নদীর তীরে স্বাভাবিকের চেয়ে ২/৩ পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অভ্যন্তরিন এবং দুর পাল্লার সকল রুটে নৌযান চলালচ বন্ধ রাখা হয়েছে। 

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিলেও আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে যাচ্ছে না নদী তীরের মানুষ। সুপার সাইক্লোন বুলবুল মোকাবেলায় উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠিতে ৭৪ টি ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নদী তীরবর্তী সাধারণ মানুষকে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ায় জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। কিন্তু ঝুকিপূর্ণ এলাকার মানুষ তুলনামূলক খুবই কম আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছেন। 

জেলায় ৫ টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। অতি ঝুকিপূর্ণ জেলার তালিকায় অন্তর্ভক্ত হওয়ার খবরে জেলার সাধারন মানুষের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। বাতিল করা হয়েছে সকরারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের ছুটি। সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় ত্রান মন্ত্রনালয় থেকে ১০ লাখ টাকা ও ৩৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে। 

বিভিন্ন হাসপাতাল স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকে জরুরি সেবাদানের ব্যবস্থা গ্রহণ, রেডক্রিসেন্ট ও এনজিওর ১ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।  

এদিকে শুক্রবার সারাদিন হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হলেও শনিবার দুপুর থেকে মাঝারি ও ভাড়ি বর্ষা শুরু হয়েছে বর্ষায় রোপা আমন ধান পড়ে গেছে, এতে ক্ষতির শঙ্কা করছে কৃষকরা। 

ইউএনও সোহাগ হাওলাদার জানান, ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের মোকাবেলায় সর্বাত্ম প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে, ইতোমধ্যে নদী তীরের ঝুকিপূর্ণ এলাকার অনেক লোক আশ্রয় নিয়েছে এবং বাকিদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদে রাখার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। তবে দুপুরের পর সকলেই আশ্রয় নিবেন বলে তিনি মনে করেন।