রাজীবপুরে আ.লীগের কোন্দল চরমে

রাজীবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সম্পাদকের মধ্যে কোন্দল চরমে পৌঁছেছে।

বুধবার বিকালে রাজীবপুর উপজেলা শহরে আ.লীগের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে সভাপতি আব্দুল হাই সরকারের অনুসারী নেতা কর্মী ও সমর্থকরা সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে পথ সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ.লীগ সভাপতি আব্দুল হাই সরকার, অধ্যাপক আব্দুস সবুর ফারুকী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো, জেলা পরিষদ সদস্য রাজিয়া সুলতানা রেণু, ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান তারেক প্রমুখ।

সভায় বক্তারা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সফিউল আলমের বিরুদ্ধে দলীয় ত্যাগি নেতাকর্মীদের উপেক্ষা করে নিজের পছন্দের ও বিভিন্ন দল থেকে আ.লীগে নতুন যোগদান করা ব্যক্তিদের দিয়ে ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে পকেট কমিটি গঠন করার অভিযোগ তুলেছেন। নতুন এই কমিটিগুলোতে দলীয় ত্যাগী নেতা কর্মীদের মূল্যায়ন হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা আ.লীগ সভাপতি আব্দুল হাই সরকার সাংবাদিকদের জানান, সাধারণ সম্পাদক সফিউল আলম দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কোন আলোচনা না করেই সন্মেলনের তারিখ নির্ধারল করেছিল। পরে আমাদের আপত্তির কারণে ভেস্তে যায়। সকলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু সুন্দর নিরপেক্ষ কাউন্সিল চান তিনি।
                                         
কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ মিছিল ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজীবপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বলেন, আমি একাই কি সন্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করতে পারি? সকলের সম্মতিতে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ২ ডিসেম্বর সন্মেলনের দিন নির্ধারণ করেছিল। নিজের দলের নেতাকর্মীদের মাঝে তিনি জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন এবং বুঝতে পেরেছেন আর সভাপতি হতে পারবেন না তাই  মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন তিনি।

গত ২ ডিসেম্বর রাজীবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সন্মেলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সন্মেলন স্থগিত হয়ে যায়।