মাদারগঞ্জে কর্মসৃজন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় অনিয়ম-দুর্নীতির মধ্য দিয়ে চলছে অতিদরিদ্রদের কর্মসৃজন কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের কাজ। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগি শ্রমিকরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছর কর্মসূচির প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের তিন হাজার ৩৯৩ শ্রমিকের মাথা পিছু ২০০ টাকা মজুরি ও নন ওয়েস কস্টের জন্য পাঁচ কোটি ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৩১৭ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

অভিযোগে জানা গেছে, প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী অতিদরিদ্র নারী-পুরুষ শ্রমিকদের মাটির কাজ করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্টরা ভুয়া শ্রমিকের তালিকা করে প্রকল্পের টাকা লুটপাট করেছে। এ বছরও নামে মাত্র প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে।

শনিবার ( ৭ডিসেম্বর) সরেজমিনে উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের মোসলেমাবাদ, চরগোপালপুর ও ৩ নং ওয়ার্ডের গেলে নুরেজা বেগম, বাদশা মিয়া, রবিউল ইসলাম, বাতাসী বেগম, গ্রামের হামেদ আলী, দিপা, ফকির আলী, ফরহাদ, জাহাঙ্গীরসহ শতাধিক লোক বলেন, চেয়ারম্যান-মেম্বাররা স্বামী-স্ত্রীসহ শ্রমিকের তালিকায় নাম দিয়ে তাদের সম্মানহানী  করেছে।

ইউপি মেম্বার ইমরান খান জানান, ‘আমি নামেমাত্র সভাপতি, প্রকল্পের সব কিছু করেছেন চেয়ারম্যান।’

চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন আয়না জানান, একটি মহল ষড়যন্ত্র করে কিছু শ্রমিক দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

সোনালী ব্যাংক মাদারগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম জানান, ইমরান খান শ্রমিকদের মাঝে বিতরণের জন্য ৪২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তায়ন কর্মকর্তা জাহিদ হাসান জানান, একাউন্টধারী শ্রমিক ছাড়া প্রকল্পের টাকা দেয়া হবে না।