সুবর্ণচরে আমন ধান সংগ্রহে কৃষকের তালিকা সংশোধন

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় আমন ধান সংগ্রহ তালিকায় মৃত, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি ও কৃষক নয় এমন নাম অন্তর্ভুক্ত তালিকা সংশোধন করেছে প্রশাসন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর প্রকাশিত তালিকা স্থগিত করে পুনরায় যাচাই-বাছাই করে বুধবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ্যে লটারি করে তা পুনঃপ্রকাশ করা হয়।

প্রকাশ্য লটারিতে উপস্থিত ছিলেন, সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম ইবনুল হাসান ইভেন, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা চিন্তা মনি তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, চর আমান উল্যাহ ইউপি চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, স্থানীয় সাংবাদিকসহ অনেকে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ‘নোয়াখালীতে সরকারি ধান ক্রয়ের তালিকায় মৃত ব্যক্তি’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসন প্রকাশিত তালিকা স্থগিত করে। একই সঙ্গে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তদন্তকালীন কমিটি ঘটনার সত্যতা পায় এবং একটি প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে পুনরায় উপজেলার চর আমান উল্যাহ্ ইউনিয়নে ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের প্রকৃত কৃষকদের নাম সংগ্রহ করে। যার প্রেক্ষিতে বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে লটারি অনুষ্ঠিত হয়। লটারি অনুযায়ী ৪৪ জন কৃষকের নাম পুনরায় তালিকাভুক্ত করে স্থগিত তালিকা পুনঃপ্রকাশ করা হয়েছে।

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম ইবনুল হাসান ইভেন বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর পর দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ওই কমিটি ইতোমধ্যে একটি প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে। সেই আলোকে নতুন করে কৃষকদের নাম সংগ্রহ করে এবং লটারি করা হয়। ওই লটারিতে আসা ৪৪ জন কৃষককে নতুন তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

উপজেলার চরবাটা খাদ্য গুদাম সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার প্রায় আড়াই হাজার কৃষক থেকে ৩ হাজার ৮০০ টন ধান সংগ্রহ করা হবে। চলতি মাসের প্রথম থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে গুদাম কর্তৃপক্ষ। যা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি।