গুরুদাসপুরে একইদিনে দুই নারীর আত্মহত্যা

নাটোরের গুরুদাসপুরে শান্তনা (১৫) নামে এক নারী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে এবং একই রাতে পার্শ্ববর্তী সাবগাড়ি এলাকায় ইতিয়ারা নামের আরেক নারী পাঁচ মাসের সন্তান রেখে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে ওই দুই নারীর আত্নহত্যার ঘটনা ঘটে।

শান্তনার বাড়ি গুরুদাসপুর পৌর সদরের উত্তরনারীবাড়ি মহল্লার শুকচানের মেয়ে এবং গৃহবধূ ইতিয়ারা পার্শ্ববর্তী সাবগাড়ি এলাকার পুলিশ সদস্যের স্ত্রী। 

জানা যায়, কিছুদিন আগেও শান্তনার তিন ভাই বোনের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ভাই পলাশ ও বোন শাপলা একসাথে আত্মহত্যা করে মারা যায়। বছর না পেরুতেই শান্তনা আত্নহত্যা করে। কিশোরী শান্তনা প্রেমে ব্যার্থ হয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

অন্যদিকে পুলিশ সদস্যের স্ত্রী ইতিয়ারাকে যৌতুকের কারণে প্রায়ই নির্যাতনের শিকার হতে হতো। 

গৃহবধূর চাচা সাবেক অধ্যক্ষ ওমর আলী বলেন, বিয়ের সময় ইতিয়ারার স্বামী এনামুলকে ৮ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এতো টাকা পাওয়ার পরও বিয়ের পর থেকেই ইতিয়ারাকে শারীরিক নির্যাতন করা হতো। পাঁচ মাস আগে ইতিয়ারার কোলজুড়ে একটি সন্তান আসে। তবুও কম ছিল না নির্যাতনের মাত্রা। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন গৃহবধূ ইতিয়ারা।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, আত্মহত্যার শিকার লাশ দুটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।