রাজশাহীতে ১৩৪৪ প্রবাসীর মাত্র ৩৯৩ জন কোয়ারেন্টাইনে

রাজশাহীতে ২৪ ঘন্টায় আরও ১৬২ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৩৯৩ জন। কিন্তু এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪৪ জন প্রবাসী দেশে এসেছেন। বেশিরভাগ প্রবাসীই মানছেন না কোয়ারেন্টাইন।

জানা যায়, রাজশাহীতে আসা বিদেশ ফেরতদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেয়া হলেও বেশিরভাগ প্রবাসীই তা মানছেন না। এদিক সেদিক ঘুরাঘুরি করে তারা সময় কাটাচ্ছেন। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। গত ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত এক হাজার ৩৪৪ জন বিদেশফেরত রাজশাহী এসেছেন। এদের মধ্যে মোট ৫২৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে আনা হয়েছে এবং ১৩৫ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত ৩৯৩ জন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইন অবস্থায় আছেন। স্বাস্থ্য কর্মীরা প্রবাসীদের খুঁজে খুঁজে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনছেন। তবে অনেকে আবার পালিয়েও আছেন।

নতুন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকাদের মধ্যে রাজশাহী নগরে রয়েছেন ১১৫ জন। এছাড়াও জেলার বাঘা উপজেলায় ১০ জন, চারঘাটে ৫জন, দুর্গাপুরে ৫জন, পুঠিয়ায় ৩জন, বাগমারায় ৩জন, মোহনপুরে ৩জন, তানোর, ৪জন, পবায় ৪জন ও গোদাগাড়ী ১০ জন।

নতুন কোয়ারেন্টিনে নেয়া বিদেশফেরতদের মধ্যে ভারত থেকে এসেছেন ১০৯, মালেশিয়ার ১, আমেরিকার ৩, চীনের ১১, সিঙ্গাপুর থেকে ৪, সৌদি আরব থেকে ১২ জন, ইংল্যান্ডের ২, কাতারের ৩, লেবাননের ১, গুনাইয়ের ১, সুদানে ১, বাহারাইনের ১, পাকিস্তান থেকে এসেছেন ২ জন, দুবাইয়ের ৪, কঙ্গোর ১, কানাডার ১, ফিলিপাইনের ২, কুয়েতের ২, দক্ষিন কোরিয়া থেকে এসেছেন ১ জন।

এ বিষয়ে রাজশাহী সিভিল সার্জন ডাঃ এনামুল হক বলেন, প্রবাসীদের তথ্য সুনিশ্চিতভাবে না থাকায় এবং প্রবাসীরা পালিয়ে বেড়ানোয় তাদের সবাইকে কোয়ারেন্টাইন সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমরা চেষ্টা করছি তথ্য অনুযায়ী তাদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করার।

ডাঃ এনামুল হক বলেন, রাজশাহীতে এখন পর্যন্ত ৪৯০টি পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) এসেছে। এর মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে দেয়া হয়েছে ৩৭০টি। আর বাকি ১২০টি দেয়া হয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে। প্রয়োজনে আরও আসবে বলে জানান এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।