মুরাদনগরে হোম কোয়ারেন্টাইন ভেঙ্গে রাস্তায় মানুষ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আরও সাতদিন নিরাপদ দূরত্ব কিংবা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিষয়ে অভিমত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশের মানুষ এই সাতদিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকলে করোনা আতঙ্ক অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন তারা। তাই এই সপ্তাহকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে সরকার আরও এক সপ্তাহের ছুটি বাড়িয়ে দিয়েছেন।

মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে করোনা প্রতিরোধে বহু সর্তকতা ও প্রচার-প্রচারণা চালানো সত্ত্বেও কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় একশ্রেণির মানুষ হোম কোয়ারেন্টাইন ভেঙ্গে রাস্তায় নেমেছে। তাদের এমন খোলামেলা বিচরণের ফলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে কোয়ারেন্টাইনে থাকা সচেতন মহলে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কোম্পানীগঞ্জ-বিবাড়ীয়া রোডে সিএনজি, ভ্যান, কাভার্ড ভ্যান ও  মিনি ট্রাক দাঁড় করিয়ে ফলের আড়ত থেকে তরমুজসহ বিভিন্ন ফল ফলাদি ডেলিভারী দেওয়া হচ্ছে। সিএনজি ও অটোরিকশায় মানুষের হুড়াহুড়ি।

এদিকে, মুরাদনগর রোডের ঔষধের ফার্মেসীগুলোর সামনে সেনাবাহিনীর দেয়া সুরক্ষা দাগ থাকলেও তা কেউ মানছেনা। একসাথে জটলা বেঁধে পায়ে পায়ে দাঁড়িয়ে ঔষধ নিচ্ছেন। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়াও কোম্পানীগঞ্জ একতা মার্কেট, সততা মার্কেট, জিয়া মার্কেট, বেড়ি বাঁধের উপর, নবীনগর রোড়সহ বিভিন্ন স্থানে দোকানের এক সাটার বা আধা সাটার খোলা রেখে পাইকারী ও খুচরা মালামাল বিক্রি করছেন দোকানীরা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিষেক দাশ বলেন, করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিষয়ে বারবার বলা হচ্ছে। জনগণ যদি না মানে তাহলে আমরা কতক্ষণ তাদের নজরে রাখব। তারপরও বিষয়টি দেখছি।