সুন্দরবনের উপর অত্যাচার রুখতে হবে: খুলনা সিটি মেয়র

প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের অনেক ক্ষতি করছে। সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে। তাই এ বনের উপর মানুষের অত্যাচার রুখতে হবে। সাবধানতা অবলম্বন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনাভাইরাস মোকাবেলা করতে হবে। আমাদের অসচেতনতার কারণে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। এমনটাই বলেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে বাগেরহাটের মোংলায় চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের উদ্যোগে ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত ৬শ' পরিবারকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি মেয়র এসব কথা বলেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক সবাইকে নিজে নিরাপদে থেকে পরিবারকে রক্ষা করার নির্দেশ দেন। এছাড়াও সরকারি নির্দেশনা মেনে করোনাভাইরাস মোকাবেলা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মো. তারিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. রাহাত মান্নান, মোংলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. গোলাম সরোয়ার, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো ইকবাল হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. ফারুক আহমেদ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নুর আলম শেখ, ইউপি চেয়ারম্যান মো. শেখ কবির হোসেন ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল হোসেন হাওলাদার প্রমুখ। 

উল্লেখ্য, আজ বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত ৬শ' পরিবারের জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা হিসেবে রূপান্তরের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে তিন হাজার এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য চার হাজার টাকা নগদ অর্থ, পিট ল্যাট্টিন, তাবু এবং হাইজিন কিটস্ পাকেজ প্রদান করা হয়। এছাড়া পুকুর জীবাণুমুক্তকরণ এবং মার্কেটে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়। 

এছাড়া সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় মোংলার দিগন্ত প্রকল্প সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শ্রমিকসংঘ চত্বরে ২৫০ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে প্রতি মসজিদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা নগদ অর্থ প্রদান করেন।