ইসলামপুরে মরণফাঁদ 'ফুটব্রিজ', দেখার কেউ নেই!

জামালপুরের ইসলামপুর-ঝগড়ারচর রোডে টেংরাকুড়া খালের উপর নির্মিত ফুটব্রিজটি বর্তমানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ফুটব্রিজটির ছাদ ধসে মরণফাঁদে পরিণত হলেও কেউ যেন দেখার নেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইসলামপুর ভায়া পোড়ারচর-পোড়াবাড়ি মোড় হয়ে ঝগড়ার চর মহাব্যস্ত পাকা সড়কটির টেংরকুড়া খালের উপর নির্মিত ফুটব্রিজটি অতিভারী যানবাহন পাথর, সিমেন্ট ও বালুভর্তি ট্রাক চলাচলের কারণে স্ল্যাব ধসে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় আকবর আলী, মিজান, জামাল মিয়া, সোহেল রানাসহ অনেকেই জানান, ওই এলাকায় বেশকিছু রাস্তার সংস্কার ও নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় মালবাহী যানবাহন চলাচল করায় অতিরিক্ত লোডের কারণে ফুটব্রিজটির স্লাব উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রতিনিয়তই পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাসহ দুর্ঘটনাও ঘটছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, পার্শ্ববর্তী শেরপুর জেলা সদর থেকে মালবাহী যানবাহ সময় ও দূরত্ব কমিয়ে সহজে ও স্বল্প সময়ে ইসলামপুর-দেওয়ানগঞ্জ যাতায়াতের জন্য এই রাস্তা বেছে নিয়েছে। অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করার ফলে ফুটব্রিজটির ছাদ ভেঙে গেছে। ব্রিজের ছাদ ভেঙ্গে যাওয়ায় এ সড়ক দিয়ে কোনো ধরনের ভারি যানবাহনসহ গাড়ি-ঘোড়া যাতায়াত করতে পারছে না। সেকারণেই প্রায় ১০ কিলোমিটার ঘুরপথে পোড়ারচর ভায়া নাপিতেরচর সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে জনসাধারণকে। তার দাবি, অতিদ্রুত ফুটব্রিজটির মেরামতের ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো সময় সেখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমিনুল হক জানান, 'আমরা খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।'

উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জামাল আব্দুন নাছের বাবুল জানান, 'বিষয়টি আমি জানি না। সরেজমিনে তদন্ত করে ফুটব্রিজটি যাতে জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করতে পদক্ষেপ নেয়া হবে।'