হাতীবান্ধায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর অভিযোগ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এমদাদুল হক নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) দিয়ে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এমদাদুল হক চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলের বিরুদ্ধে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাতীবান্ধা থানায় পৃথক পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী এমদাদুল হক ওই উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের দালালপাড়া গ্রামের তরিমুদ্দিনের ছেলে। বড়খাতা বাজারে এমদাদুলের একটি যন্ত্রাংশের দোকান আছে।

জানাগেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলের হুকুমে শফিকুল ইসলামসহ ৩ জন গ্রাম পুলিশ এমদাদুল হককে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। পরে চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশ তাকে মারধর করে ১০টি জমির দলিলে (স্ট্যাম্প) স্বাক্ষর নেয়। এ ঘটনায় এমদাদুল হক বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন ও হাতীবান্ধা থানায় দুটি পৃথক পৃথক অভিযোগ দাখিল করেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এমদাদুল হক বলেন, চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশ আমাকে মারধর করে জোর পূর্বক ১০টি জমির দলিলে (স্ট্যাম্প) স্বাক্ষর নেয়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বলেন, মারধর এবং জোর পূর্বক স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তহীন। ফকিরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসুস্থ হওয়ায় আমি এমদাদুলের সাথে তার ভাইদের জমিজমা নিয়ে একটি বিবাদের মিমাংশা করে দিয়েছি মাত্র।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।