ধর্ষণের ভিডিও ফেসবুকে, গ্রেপ্তার যুবক

ভোলার মনপুরায় এক তরণীকে বিয়ের আশ্বাসে একাধিকবার ধর্ষণের পর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জিপু হাওলাদার নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আটক জিপু হাওলাদারকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে অপর আসামি রুবেল হাওলাদারকে পুলিশ আটক করতে পারেনি।

গত ১৮ আগস্ট মনপুরা থানায় বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে জিপু হাওলাদার ও ধর্ষণের সহযোগিতায় বড় ভাই রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন ওই তরুণী। পরে পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা নেয়।

অভিযুক্ত জিপু হাওলাদার মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট আলিউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। তাদের বাড়ি একই এলাকায়।

ওই তরুণী ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৬-৭ বছর ধরে জিপু হাওলাদারের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক। এর মধ্যে একাধিকবার বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ করে জিপু হাওলাদার।

এর মধ্যে বিয়ের চাপ দিলে ধর্ষকের বড় ভাই রুবেল হাওলাদার মোবাইল ফোনে ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দেবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু পারিবারিকভাবে কথা বলার জন্য বললে, বিভিন্ন তালবাহানা করে জিপু হাওলাদার।

গত ৪ আগস্ট বিয়ের ব্যাপারে কথা বলবে বলে ফের শারীরিক সম্পর্ক করে জিপু হাওলাদার। পরে বিয়ের ব্যাপারে তালবাহানা করে জিপু হাওলাদারকে ঢাকায় পালিয়ে যেতে সহায়তা করে তার বড় ভাই রুবেল হাওলাদার।

পরে গত ১৮ আগস্ট মনপুরা থানায় এসে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে জিপু হাওলাদার ও ধর্ষণের সহযোগিতায় বড় ভাই রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ওই তরুণী। পরে পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা নেয়।

এ ব্যাপারে মনপুরা থানার ওসি সাইদ আহমেদ জানান, মনপুরা থানার পুলিশের একটি দল ঢাকা থেকে জিপু হাওলাদারকে আটক করে সোমবার সন্ধ্যায় নিয়ে আসে। তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি। মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।