যে কারণে হেরেছে বাংলাদেশ

ভারতের সাথে প্রথম টি-২০ তে জিতে বেশ আশাই জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। আশা ছিল ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দ্বিতীয় টি-২০ তেও জয় হাসিল করবে টাইগাররা। তবে সেটা হয়নি। উল্টো ভারতের কাছে নাজেহাল হয়েছে বাংলাদেশ।

এই হারের জন্য কাউকে দায়ী করেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে হতাশা ব্যক্ত করেছেন কম রান হওয়ায়। কিন্তু বাংলাদেশের শুরুটা তো খারাপ ছিল না। পাওয়ার প্লেতেই বিনা উইকেটে এসেছিল ৫৪ রান। এরপরই ছন্দপতন। হারাতে থাকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট।

তার চেয়ে বেশি চিন্তার বিষয় ছিল ডট বল খেলা। পুরো ম্যাচে ৩৮টি ডট বল খেলেছে বাংলাদেশ। মানে মোট বলের তিন ভাগের এক ভাগ। আর যাই হোক টি-২০ তে এত ডট বল খেলে জেতা প্রায় অসম্ভব।

গোটা ম্যাচে এসেছে ১৬ চার মানে ৬৪ রান। এসেছে একটি ছয়ও। তবে নাইম আফিফরা বল মিস করেছেন ব্যাপক হারে। নাইম ৩৬ রানের মধ্যে বাউন্ডারিতে নিয়েছেন ২০ রান। বাকি ১৬ রান করতে খেলেছেন ২৬টি বল।

লিটন দাস অবশ্য এখানে সফল। চারটি চার মারলেও তিনি ডট বল খেলেছেন মাত্র ৫টি। সৌম্য সরকার বাউন্ডারি থেকে করেছেন ১৮ রান। বাকি ১২ রানে করতে বল খেলেছেন ১৭টি।

রিয়াদ ডট খেলেছেন ৬টি। এছাড়া মোসাদ্দেক ৯ বলে ৪টি আর আফিফ ডট খেলেছেন ৪টি। সব মিলিয়ে ডট ৩৮টি। এখান থেকে অন্তত ২০টি বলে সিঙ্গেল আসলেও রান হয়ে যেত ১৭৩। মূলত ব্যবধান গড়ে দিয়েছে এই ডট বলই।

ম্যাচের শেষে মাহমুদুল্লাহ বলেন, টি টোয়েন্টি ম্যাচে ৪০-এর বেশি ডট বল খেললে জেতার আশা তখনই শেষ হয়ে যায়। আমরা ৩৮টি ডট বল খেলেছি। পরের ম্যাচে এ দিকে নজর দিতে হবে।

সিরিজ নির্ণায়ক তৃতীয় টি টোয়েন্টি ম্যাচে দলে কি ব্যাপক পরিবর্তন আনবে বাংলাদেশ? মাহমুদুল্লাহ অবশ্য পরের ম্যাচে দলে বিশেষ পরিবর্তন চাইছেন না। তিনি বলেন, আমি মনে করি না দলে খুব একটা পরিবর্তনের দরকার রয়েছে। ব্যাটিং বিভাগে সামান্য কিছু সংশোধন করতে হবে। আমরা যে গতিতে রান তুলতে শুরু করেছিলাম, তাতে ১৭০ রান তুলতেই পারতাম। ১২ ওভারে আমরা ১০৩ রান করেছিলাম। ফলে ১৭০-১৮০ রান করতেই পারতাম।