বর্ষায় চুল পড়ছে? মাত্র পাঁচ অভ্যাসেই সমাধান

বর্ষাকাল মানেই চুল পড়া। এ সময়ে ত্বক চটচটে হয়ে যায়, চুলের সমস্যা তো থাকেই। সঙ্গে অনেকের খুসকির সমস্যা বাড়ে। আর তার চেয়েও বেশি দেখা যায় চুল পড়ার সমস্যা।


চুল ভাল রাখতে তাই বর্ষাকালে রকমারি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করেন কেউ কেউ। অনেকে আবার নতুন ধরনের প্রসাধনী কিনে আনেন। আবার কেউ নিয়ে আসেন বিশেষ ধরনের শ্যাম্পু।


কিন্তু এ সময়ে কয়েকটি অভ্যাস চুল যত্নে রাখতে সাহায্য করে। যে কোনও প্রসাধনীর চেয়ে তা বেশি কাজেরও। চুলকে সবার আগে বৃষ্টির জল আর বর্ষার আর্দ্রতা থেকে বাঁচানোর প্রক্রিয়া জেনে নেওয়া জরুরি।


১) প্রথমত বৃষ্টিতে চুল ভেজাবেন না। বৃষ্টির জলে অনেক ধরনের দূষিত পদার্থ থাকে। তার অনেকটা বেশ ক্ষতিকর। ফলে বৃষ্টি শুরু হলেই মাথা ঢাকুন। ছাতা ব্যবহার করতে পছন্দ না করলে সঙ্গে এমন কোনও টুপি বা স্কার্ফ রাখুন, যা চুল যত্নে রাখবে। মাথায় বৃষ্টির জল না পড়লেই দেখা যাবে অনেকটা কম পড়ছে চুল।


২) চুল পরিষ্কার রাখুন। বর্ষায় এমনিতেই আর্দ্রতা বেড়ে যায়। ফলে চুল, ত্বক চটচট করে। তার মধ্যে যদি চুল পরিষ্কার না থাকে, তবে আরও বেশি সমস্যা হয়। চুল পড়া বাড়তে থাকে।


৩) চুল পরিষ্কার রাখা মানেই বার বার শ্যাম্পু। তাতে আবার অন্য সমস্যা বাড়ে। চুল খসখসে হয়ে যেতে পারে। তাই এই সময়ে অবশ্যই চুলের পুষ্টির দিকে বেশি জোর দিন। সপ্তাহে এক দিন অন্তত রাতে শুতে যাওয়ার আগে নারকেল তেল দিয়ে ভাল ভাবে চুলে মালিশ করুন।


৪) চুলের যত্নে পুষ্টির দিকে লক্ষ্য রাখাটা সবসময়ই জরুরি। ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামাইনো এসিড, আয়রনের অভাব জনিত কারণে চুল পড়ার সমস্যা হতে পারে। খাদ্যতালিকায় এসব পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার সবসময় রাখতে হবে।


৫) জীবনযাপনের ধরনের কারণে চুল পড়ে টাক হওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত স্ট্রেস, ব্লাড প্রেসার সহ নানা কারণ এর জন্য দায়ী। বর্ষাকালে চুল পড়ার কারনহিসেবে যুক্ত হয় বিষণ্ণতা।আবার অযত্নের কারণে চুল অতিরিক্ত পড়তে পারে মহিলাদের ক্ষেত্রে বিশেষত যারা অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার, পেইন্টিং, কালার ইত্যাদি করান তাদের চুল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়ে। এই সব রোগ ও বদ অভ্যাস বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠতে হবে।


এই পাঁচটি অভ্যাস যদি রপ্ত করে ফেলা যায়, তবেই অনেকটা সমস্যা কমবে। বন্ধ না হয়ে গেলেও চুল পড়া অবশ্যই কমবে।