পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে বাধা নেই

অস্থিতিশীল পেঁয়াজ বাজার স্বাভাবিক করতে ব্যবসায়ীরা পাকিস্তান থেকেও পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে মিয়ানমার, মিসর, চীন ও তুরস্ক থেকে বেশ কিছু পেঁয়াজ আমদানিও করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানের একটি ইংরেজি দৈনিক খবর প্রকাশ করেছে যে, অন্তত ১৫ বছর পর পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ। ট্রেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অব পাকিস্তানের উদ্ধৃতি দিয়ে খবরে বলা হয়েছে বাংলাদেশের তাসো এন্টারপ্রাইজ করাচির রোশান এন্টারপ্রাইজের নিকট থেকে ৩০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করছে।

এ দিকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে কখনোই নিষেধাজ্ঞা ছিল না। বরং দাম বেশি ও পাকিস্তানি পেঁয়াজ বাংলাদেশে কম চলে তাই ব্যবসায়ীরা পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে আগ্রহী নয়।

ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বরত বাণিজ্য সচিব মো. ওবায়দুল আজম বলেন, পেঁয়াজ আমদানি যে কেউ যেকোনো দেশ থেকে করতে পারে। আমরা সুনির্দিষ্ট কোনো দেশের কথা বলে দেইনি। পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে আমরা কোনো দেশের নাম সুনির্দিষ্ট করে দেইনি।

উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত কর্তৃপক্ষ পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণা করে। বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে এলসি এবং বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু করে। পাশাপাশি মিসর ও তুরস্ক থেকেও এলসির মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। সম্প্রতি মিয়ানমারও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। ফলে বাংলাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।