পেনশন: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিরাট সুখবর

সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়ে পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০ জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলী খান এনডিসি স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, ছুটি নগদায়ন মঞ্জুরির আদেশ বিল দাখিলের তিন কর্মদিবসের মধ্যে পেনশনভোগীর ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা চলে যাবে।

আদেশে আরও বলা হয়, অবসর গ্রহণের আগে ইএলপিসি পাওয়ার এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ওই আবেদনে প্রাপ্য ছুটি, ছুটি নগদায়ন, ভবিষ্যৎ তহবিলের স্থিতি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। এই আবেদন পাওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।

বিশেষ করে সরকারের আদায়যোগ্য অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করে আদায়ের ব্যবস্থা করবে। এই প্রক্রিয়ার পর তিন মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ অবসরোত্তর ছুটি, ছুটি নগদায়ন ও পেনশন মঞ্জুরিপত্র জারি করবেন।

সেখানে বলা হয়, ছুটি নগদায়ন মঞ্জুরির আদেশ পাওয়ার পর বিল দাখিলের তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পেনশনভোগীর ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা চলে যাবে।

পেনশন মঞ্জুরির কাগজপত্র প্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে পেনশন নির্ণয়-সংক্রান্ত হিসাব যথাযথভাবে যাচাইপূর্বক সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস পেনশন পরিশোধ আদেশ (পিপিও) জারি করা হবে। আনুতোষিকের টাকার চেক বা ইএফটি পিআরএল শেষ হওয়ার পর দিন চূড়ান্ত অবসরগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিকট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে।

অনুত্তোলিত পেনশন এবং বকেয়া পেনশনের ক্ষেত্রে সাত কর্মদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তিকরণ: ইএফটি জেনারেট কতে হইবে। অডিট আপত্তি থাকিলে ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করিতে হইবে। চূড়ান্ত অবসর গ্রহণের এক বৎসরের মধ্যে বিভাগীয় মামলা থাকলে নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

প্রতি মাসের পেনশন পরবর্তী মাসের এক তারিখে পেনশনারের ইএফটি-এর মাধ্যমে তাহার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ করতে হবে।

এছাড়া নতুন প্রজ্ঞাপনে পেনশন সংক্রান্ত সব ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের বদলিতে এলপিসি ইলেকট্রনিক্যালি পূরণ করতে হবে এবং অনলাইনে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে। কোনো সরকারি কর্মচারী পিআরএলে যাওয়ার তিন বছর আগের কোনো কাগজপত্র, রেকর্ড বা না-দাবি প্রত্যয়নপত্র তার কাছে চাওয়া যাবে না।