উপকূলে চলছে আমফানের তান্ডব, নিহত ৩

সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, বাগেরহাটসহ দেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় আমপান। বুধবার (২০ মে) রাতে অগ্রভাগ ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হানে।

একই সঙ্গে ধীরে ধীরে আঘাতের মাত্রা বাড়ছে আমফানের। বুধবার রাত ৮টার দিকে ১৮০-২০০ কিলোমিটার গতিতে উপকূলে আঘাত হানবে আমফান।

এদিকে, আমফানের আঘাতে ইতোমধ্যেই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রবল ঝড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। কিছু কিছু জায়গায় গাছ পড়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাঁচা-পাকা ঘর ও বিদ্যুৎ সরবরাহের অবকাঠামো। নদীতে জোয়ার থাকায় কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপের নিম্নাঞ্চলের বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে। অনেক স্থানে নদীর পানি প্রবল বে‌গে আছড়ে পড়ছে জীর্ণশীর্ণ বে‌ড়িবাঁধের উপর।

খুলনা আঞ্চলিক আওহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ সন্ধ্যা ৭টায় বলেন, সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে ঘূর্ণিঝড় আমফান আঘাত হানা শুরু করেছে সুন্দরবন, খুলনা, মোংলা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরাজুড়ে। ঝড়ের অগ্রভাগ বর্তমানে খুলনা উপকূল অতিক্রম করছে। যার প্রভাবে খুলনায় ৫০ কিমি বেগে দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়া বইছে। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৪১ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আমফানের প্রভাবে চরফ্যাশন উপজেলায় সিদ্দিক ফকির (৭০) নামে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। এছাড়া এক নারী গুরুতর জখম হয়েছেন। পটুয়াখালীতে ঝড়ে নৌকা উল্টে এক উদ্ধারকারী ও সন্দ্বীপে জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন।