ঈদের ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়া যাবে না

করোনা সংক্রমণ রোধে কয়েকটি শর্ত শিথিল করে ৬ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়েছে সরকার। ঈদুল ফিতরের জন্য তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে এই তিন দিন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী ও শিল্প-কারখানার কর্মীদের কর্মস্থলেই থাকতে হবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন মঙ্গলবার (৪ মে) সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকায় সংক্রমণের মাত্রা বেশি। ঢাকা থেকে যাতে মানুষ যেতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নির্দেশনায় এসব বিস্তারিত থাকবে।

সরকারি-বেসরকারি সবার ক্ষেত্রেই এই নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ তিনদিনের বেশি ছুটি দিতে পারবে না।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে ছুটি তিনদিনই থাকবে এবার। আমাদের প্ল্যান ছিল একদিন ছুটি দেওয়ার। ঈদের ছুটির দুদিন শুক্র ও শনিবারই মনে হচ্ছে যাবে। যাতে কেউ কোথাও যেতে না পারে, ঢাকা না ছাড়তে পারে। কারণ ঢাকা হচ্ছে করোনার উচ্চ সংক্রমণশীল এলাকা। ৮০ শতাংশ সংক্রমণই হয় ঢাকায়।’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে বা ঢাকার আশেপাশে থেকে শ্রমিকরা যদি ঈদের সময় অন্য জায়গায় চলে যায় তবে ম্যাসাকার হবে। সে জন্য আমরা চাচ্ছি সবাই কর্মস্থলেই থাকুক। সরকারি-বেসরকারি সবক্ষেত্রে নির্দেশনা দেওয়া আছে, ছুটি তিনদিনই থাকবে, কেউ এর বাইরে ছুটি দিতে পারবে না।

ফরহাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী এখনও চলাচলে কড়াকাড়ি আরোপ করার বিষয় আছে। আমরা বলছি, ঈদের সময় যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকবেন। লোকজন মুভ করলে এটা ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে। ভারতের বিষয়টি আমাদের পর্যবেক্ষণ করতে হচ্ছে। সে জন্য আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।