লঞ্চে মোটরসাইকেল পরিবহন নিষিদ্ধ

যাত্রীবাহী লঞ্চে মোটরসাইকেল বহন নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। শুক্রবার (১৬ জুলাই) বিআইডব্লিউটিএ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এ তথ্য জানান।

বিধিনিষেধ শিথিলের কারণে গত বুধবার মধ্যরাত থেকে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে লঞ্চসহ যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।

লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদে ঘরমুখো যাত্রী পরিবহনের সুবিধার্থে মোটরসাইকেল বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে বিআইডব্লিটিএ থেকে জানা গেছে।

শিথিল বিধিনিষেধের মধ্যে চলাচলের সময় লঞ্চের ডেকে করা মার্কিং অনুযায়ী যাত্রীদের বসতে হবে বলে গত ১৪ জুলাই জানিয়েছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

আগামী ২১ জুলাই বুধবার দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন, জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদ পূর্ববর্তী ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এই প্রজ্ঞাপনের আলোকে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে এবং প্রত্যেক যাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরিধান ও সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে নৌযান পরিচালনার জন্য গত ১৩ জুলাই সংশ্লিষ্টদেরকে নির্দেশনা দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।

ওই নির্দেশনায় আরও বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সারাদেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন ও সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ওই নির্দেশনার আলোকে অভ্যন্তরীণ নৌপথে সকল ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান (লঞ্চ, স্পিডবোট, ট্রলার, অন্যান্য) চলাচল বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা দিয়ে এ নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।