পরীমনির কথিত ‘মা’ চয়নিকা চৌধুরী আটক

পরীমনি কাণ্ডে নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীকে রাজধানীর পন্থপথ থেকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 চয়নিকাকে নিজের ‘মা’ বলে অভিহিত করেন পরীমনি। চয়নিকা নিজেও পরীমনিকে মেয়ের মতো ভাবেন বলে জানান। সবশেষ উত্তরা বোট ক্লাব কাণ্ডের পর পরীমনির পাশে ছায়ার মতো দেখা গেছে চয়নিকা চৌধুরীকে।  

বুধবার (৪ আগস্ট) র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি, আইস ও বিভিন্ন প্রকার মাদকসহ আটক হন পরীমনি। এর আগে ৪ ঘণ্টার বেশি সময় পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। আটকের আগে ফেসবুক লাইভে এসে পরিচিত সবার সাহায্য চান পরী। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেননি। এমনকি তার ‘মা’ খ্যাত নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীও এদিন আসেননি।

বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ গ্রেপ্তার ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। জিজ্ঞাসাবাদে পরীমনির কাছ থেকে বেশকিছু ব্যাপক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

পরীমনি চলচ্চিত্রের আড়ালে খারাপ ব্যবসা করতেন এবং এই ব্যবসাগুলোতে কারা তাকে পেট্রোনাইজ করেছেন, তাদের কথাও তিনি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন বলে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ের সামনে ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, পরীমনির মামলাটি আমরা তদন্ত করছি। পাশাপাশি আমরা তাকে আরও কয়েকটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে, পরীমনি অন্ধকার জগতে পা দিয়েছেন। এ পথে আসতে এক নারী তাকে সহযোগিতা করেছেন। সেই নারীকে আমরা খুঁজছি। তার বিষয়ে নজরদারিও করছি।


ডিসি হারুন আরও বলেন, ঢাকা বোট ক্লাবে পরীমনির সঙ্গে জিমি নামের এক তরুণ গিয়েছিলেন। তার বিষয়ে আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি। আশা করি, দ্রুত সবাইকে আমরা আইনের আওতায় আনতে পারব।

সেই নারীর নাম-পরিচয় জানতে চাইলে হারুন বলেন, আমরা এ মুহূর্তে নামটি বলতে চাচ্ছি না। পরীমনি তাকে বিশেষ একটি নামে ডাকতেন। তিনিও চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত।