সরকার সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে: কাদের

বিএনপিসহ সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে বদ্ধপরিকর। সরকার সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

শনিবার (২ অক্টোবর) বাসভবন থেকে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ ভয়ে কাঁপে না, চ্যালেঞ্জ আর লক্ষ্য অর্জনের পথে বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়াই বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি। আর সেই রাজনীতিই আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করে যাচ্ছে। এদেশের রাজপথ জানে আওয়ামী লীগের আন্দোলন-সংগ্রামের বীরত্বগাথা আর সমৃদ্ধ ইতিহাস। জনগণ বিএনপির হঠকারিতা, গণতন্ত্র হত্যা, ষড়যন্ত্র, লুটপাট আর সুবিধাবাদী রাজনীতির কথাও জানে।

বিএনপির জনসমর্থনের জোয়ার তো গত ১৩ বছরে কোনো নির্বাচনে দেখা যায়নি দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা ভরাডুবির ভয়ে এখন নির্বাচনবিমুখ। তাই রাজপথ আর ভোটের ময়দান ছেড়ে গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনীতিকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছে।

শেখ হাসিনা সরকার আর আওয়ামী লীগকে হুমকি-ধামকি দিয়ে লাভ নেই জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের যে অপচেষ্টা করছেন তা আমাদের অজানা নেই।

বিএনপির সবকিছুতেই শর্ত এবং মামার বাড়ির আবদার উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করলে নাকি তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন। আসলে বিএনপি ভালো করেই জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়টি একটি মীমাংসিত বিষয়।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কে বাতিল করেছে?

উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল হয়েছে, এ পদ্ধতি ছিল একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা, দীর্ঘমেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চলতে পারে না।

ওবায়দুল কাদের আবারও হুঁশিয়ার করে আওয়ামী লীগের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কোনো মদদ ও প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে হবে। দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।