বাণিজ্যমেলার স্থায়ী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পূর্বাচলে ঢাকা বাণিজ্যমেলার স্থায়ী প্রদর্শনী কেন্দ্র ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বিশ্বমানের এ প্রদর্শনী কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিগত বছরগুলোতে শেরেবাংলানগরে অস্থায়ী মাঠে মেলার আয়োজন করার ফলে স্টল-প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করতে গিয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করতে হতো।

এছাড়া শেরেবাংলানগর, আগারগাঁও, শ্যামলীসহ আশপাশের সড়কগুলোতে মাসজুড়ে যানজটসহ অন্যান্য সমস্যায় আগামীতে আর কষ্ট পেতে হবে না নগরবাসীকে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানায়, ২০০৭ সালে এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণের জন্য চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম ডিজাইন চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

পুরনো বিমানবন্দরের প্রায় ৪০ একর জমি নিয়ে এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণের প্রথম ডিপিপি অনুমোদিত হয় ২০০৯ সালে, তবে তা কার্যকর হয়নি। পরে প্রধানমন্ত্রী পূর্বাচলে এক্সিবিশন সেন্টারের স্থান নির্বাচনের নির্দেশনা দেন। সরকার ২০১৫ সালে রাজউকের পূর্বাচলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অনুকূলে প্রথমে ২০ একর এবং পরে আরও ৬ দশমিক ১ একর জমি বরাদ্দ দেয়। সেখানে চীন সরকারের প্রকল্প সহায়তায় সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একটি সুপরিসর এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। এই সেন্টারটি নির্মাণে জমির মূল্যসহ মোট ব্যয় হয়েছে ৮১৭ কোটি টাকা। যার মধ্যে চীন সরকার ব্যয় করেছে ৫২৬ কোটি টাকা।

চীনা কর্তৃপক্ষ নির্মাণকাজ শুরু করে ২৬ অক্টোবর ২০১৭। কাজ শেষ হয় ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর। ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নবনির্মিত অবকাঠামো ইপিবিকে বুঝিয়ে দেয় চীনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন।