‘আরো ৫০০০ ল্যাব ও ৩০০ স্কুল অব ফিউচার উদ্বোধন করা হবে’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, আগামী ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল জাতীয় দিবসে আরো নতুন করে ৫০০০ শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব এবং ৩০০ শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউচার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় উন্নয়ন বিকেন্দ্রীকরণের জন্য তরুণদের প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করে আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলতে ৬৪টি জেলাসহ ৪৯৬টি উপজেলায় ৫৫৫টি জয় ডিজিটাল সার্ভিস অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হবে।


তিনি বলেন, এর ফলে দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থী শ্রম নির্ভরতা বা বিদেশ নির্ভর না হয়ে যার যার ঘরে বসে মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবেন। এর মাধ্যমে ২০৪১ সাল নাগাদ প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত টেকসই, সাশ্রয়ী, উদ্ভাবনী, জ্ঞানভিত্তিক, উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।


শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের আয়োজনে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল হলে মাসব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।


পলক বলেন, গত ১৩ বছরে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে দেশ অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করেছে। বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে দেশের সাগে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট ব্যবহার করে ঘরে বসে ইউরো-ডলার আয় করার সুযোগ পাচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে ৬৪টি শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেশন সেন্টার, ১৩ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব। আজকে যারা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সদস্য, তারাই সেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ‍তিনি।


শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের মহাসচিব কে এম শহীদ উল্যা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্সাল মো. মফিদুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের ঢাকা মহানগর উপদেষ্টা নাজমুল হক, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা তরফদার মো. রুহুল আমিন ও চৌধুরী নাফিস সারাফাত।


ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন রনির সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ লোটন। বিভিন্ন বিভাগে রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল সঙ্গীত, আবৃত্তি ও নৃত্য এই চার ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই প্রতিযোগিতা।