বিকেলে আবারও আফগান পরীক্ষার মুখোমুখি বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম টেস্টে আফগানিস্তানের কাছে হেরে সাকিব আল হাসানরা যখন লজ্জায় মুখ লুকাচ্ছেন তখন আফগান পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলও। 

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও ২০২৩ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে জামাল ভূঁইয়ারা।

আফগানিস্তানের ‘হোম’ ম্যাচ হলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে ম্যাচটির ভেন্যু তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবের রিপাবলিকান সেন্ট্রাল স্টেডিয়াম। লড়াইটি শুরু হবে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।

তুল্যমূল্যের বিচারে গ্রুপের আর চারটি দলের চেয়ে বাংলাদেশ পিছিয়ে অনেকটাই। এই আফগানদের সঙ্গেও ব্যবধানটা ৩৩ ধাপ। সাফ ছেড়ে মধ্য এশিয়া অঞ্চলে নাম লেখানো আফগানিস্তান যেখানে ১৪৯তম স্থানে, সেখানে বাংলাদেশ ১৮২তম স্থানে। তারপরও গ্রুপের অপর তিন দল কাতার (৬২), ওমান (৮৭) ও ভারতের (১০৩) তুলনায় আফগানরা তো বাংলাদেশের সবচেয়ে কাছের প্রতিপক্ষ। তাই ইতিবাচক কিছু দিয়ে মিশন শুরুর আশা তো করতেই পারে বাংলাদেশ।

অতীত পরিসংখ্যানও খানিকটা আশাবাদী করে তুলতে পারে বাংলাদেশকে। ছয়বারের দেখায় দুই দলই জিতেছে একবার করে। বাকি চার ম্যাচ ড্র। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বশেষ সাক্ষাতে অবশ্য বাংলাদেশকে ৪-০ ব্যবধানে নাস্তানাবুদ করেছিল একঝাঁক ইউরোপ প্রবাসী ফুটবলার নিয়ে গড়া আফগানিস্তান।

এই গ্রুপে বাংলাদেশ ছাড়া বাকি সবাই এর মধ্যেই খেলে ফেলেছে তাদের প্রথম ম্যাচ। আফগানদের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি। এশিয়া চ্যাম্পিয়ন কাতার গুনে গুনে হাফ ডজন গোল দিয়েছে। যদিও এটাকে মোটেই বড় করে দেখছেন না বাংলাদেশের ইংলিশ হেড কোচ জেমি ডে, আফগানরা যাদের কাছে হেরেছে, তারা এ মুহূর্তে এশিয়ার সেরা দল। সুতরাং আমি মনে করি না এই হারে আমাদের খুশি হওয়ার কোনো কারণ আছে।

বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া মনে করেন আফগানদের কাছ থেকে পয়েন্ট তুলে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে, আমরা দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে অনেক কিছুই শিখেছি। আফগানরা ভালো দল। তবে আমরা এই ম্যাচটি খেলতে মুখিয়ে আছি। কারণ জানি এই ম্যাচ থেকে আমাদের কিছু অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

জামালরা কি পারবেন ক্রিকেটে চট্টগ্রাম টেস্টে আফগানদের কাছে তুলাধুনা হওয়া সাকিবদের কষ্ট ভুলিয়ে দিতে?