পেরুর কাছে হেরেই বসলো ব্রাজিল

ম্যাচ শেষ হতে মাত্র কয়েক মিনিট বাকি। পুরো ম্যাচেই পেরু রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখা ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডরা খুঁজছেন জয়সূচক গোল। ঠিক সেই মুহূর্তেই বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় পেরু। ফ্রি কিক থেকে উড়ে আসা বল ঠেকাতে গিয়েছিলেন ব্রাজিল গোলরক্ষক। কিন্তু এর আগেই তার সামনে এসে লাফিয়ে হেড করেন লুইস আবরাম। তাঁর হেড খুঁজে নেয় জাল, উল্লাসে ভাসে পেরু ডাগআউট। আবরামের একমাত্র গোলেই প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে পেরু। 
এবারের কোপা আমেরিকায় এই পেরুকেই দুইবার হারিয়েছিল ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বে পেরু উড়ে গিয়েছিল ৫-০ গোলে। ফাইনালে তাদের ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল সেলেসাওরা। লস অ্যাঞ্জেলেসে আজ নেইমার, থিয়াগো সিলভা, দানি আলভেজ, ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে প্রথম একাদশে রাখেননি তিতে।
ম্যাচের শুরু থেকেই পেরুকে চেপে ধরে ব্রাজিল। ১৯ মিনিটে এসেছিল প্রথম সুযোগ। গোলরক্ষক গ্যালেসকে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি ডেভিড নেরেস। ২৪ মিনিটে রিচার্লিসনের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ছয় মিনিট পর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার বাঁ পায়ের জোরালো শট পোস্ট ঘেঁসে চলে যায়। 
বিরতির দুই মিনিট আগে দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন রিচার্লিসন। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া এই শট জালে জড়ায়নি অল্পের জন্য। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে নারেসের শট ঠেকিয়ে দেন গ্যালেস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন অ্যালান। কিন্তু সেখান থেকে গোল করতে পারেননি। চার মিনিট পর কৌতিনহোর শট ঠেকিয়ে দিয়েছেন পেরু কিপার। ৬১ মিনিটে অ্যালানকে আবার হতাশ করেন গ্যালেস। 
৬২ মিনিটে রবার্তো ফিরমিনোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার। ৭৫ মিনিটে বক্সের ভেতর শট নিতে গিয়ে পড়ে যান তিনি, পেনাল্টির আবেদন করলেও রেফারি সাড়া দেননি। ৮৩ মিনিটে ইয়োতুনের নেওয়া ফ্রি কিকে দারুণ এক হেডে পেরুকে এগিয়ে দেন আবরাম। ৮৭ মিনিটে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরাতে পারতেন পাকুইতা, তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় সেলেসাওদের।