নাঈমের ৪ উইকেটে প্রথম দিন বাংলাদেশের

সিরিজের একমাত্র টেস্ট ম্যাচ খেলতে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। এতে প্রথম দিন শেষে ৬ উইকেটে ২২৮ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের পক্ষে ৬৮ রান দিয়ে নাঈমের শিকার ৪ উইকেট। ২ উইকেট পেয়েছেন আবু জায়েদ। 

এর আগে সকালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বেশ ধীরেসুস্থে শুরু করে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের দুই পেসার আবু জায়েদ রাহী আর এবাদত হোসেন প্রথম ৪ ওভারই নেন মেডেন। পঞ্চম ওভারে ১ রান আসলেও সেটি ছিল ওয়াইড থেকে। ৫ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের রান ছিল বিনা উইকেটে মাত্র ১।

৮ম ওভারে দলীয় ৭ রানে জিম্বাবুয়ে শিবিরে প্রথমে হানা দেন আবু জায়েদ রাহি। নাঈমের ক্যাচ বানিয়ে ওপেনার কেভিন কাসুজাকে ফেরালেন মাত্র ২ রানে। কিন্তু এর পরেও প্রথম সেশন নিজেদের করে নেই জিম্বাবুয়ে।

দ্বিতীয় সেশনে খেলতে নেমে নাইমের জোড়া আঘাতে খেলায় ফিরে বাংলাদেশ। মাসভাউরে ও আরভিনের ১১১ রানের জুটি ভাঙেন নাঈম হাসান। ১৫২ বল খেলা মাসভাউরের ক্যাচ নিজেই লুফে নেন তিনি। ফেরার আগে এই ওপেনার করেন ৬৪ রান।

এরপর অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেলরকেও সুবিধা করতে দেননি নাঈম। ব্যক্তিগত ১০ রানে বোল্ড হয়ে ফেরেন টেলর।

চা বিরতির আগে আবারও জিম্বাবুয়ের ইনিংসে আঘাত হানে নাঈম হাসান। এবার তার অফস্পিনে শিকার হন সিকান্দার রাজা।  টাইমাইসেন মারুমা ক্রিজে এসে প্রতিরোধ গড়তে চাইলেও তা হতে দেন নি আবু জায়েদ। তার দারুণ ইনসুইঙ্গারের জবাব জানা ছিল না এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানের।

দিনের খেলার শেষ দিকে সেঞ্চুরিয়ান আরভিনকে ফেরান নাঈম। যতটা টার্ন আশা করেছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ততটা করেনি। লেগ-মিডল স্টাম্পে পড়া বলটি পেছনে পায়ে লেগে আঘাত হানে স্টাম্পে। ২২৭ বলে ১৩ চারে ১০৭ রান করেন জিম্বাবুয়ের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। নাঈম পেলেন চতুর্থ উইকেট।

৮৯ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ২২৬/৬। ক্রিজে রেজিস চাকাভার সঙ্গী ডোনাল্ড টিরিপানো।